আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বাঁশখালীর সুনাম ও ঐতিহ্য অটুট রাখতে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম। সোমবার বিকেলে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত পূজা প্রস্তুতি সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের এই বড় উৎসবে কোনো ধরনের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।
সংসদ সদস্য আরও জানান, বাঁশখালী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই দৃষ্টান্ত বজায় রাখতে প্রতিটি পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপন কমিটির সাথে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীরা যৌথভাবে পাহারা দেবেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছর ধরে তারা একসাথে আন্দোলন করে আসছেন এবং দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সাবেক পৌর মেয়র ও বিএনপি নেতা আলহাজ কামরুল ইসলাম হোসাইনী বলেন, মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর বাঁশখালী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত, যা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা হবে।
বিএনপি নেতা আলহাজ আমিনুর রহমান চৌধুরী তার বক্তব্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পূজার সময় মদপান করে বিশৃঙ্খলা বা অহেতুক লাফালাফি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সবাইকে সম্মিলিতভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হক, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আলহাজ আমিনুর রহমান চৌধুরী, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মানিক, পৌরসভা জামায়াতের আমীর আবু তাহের, বাঁশখালী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি লায়ন শেখর দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঝুন্টু কুমার দাস, জামায়াত নেতা মাওলানা বদরুল হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিদুর রহমান তন্ময় এবং বিএনপি নেতা দেলোয়ার আজিম।
প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ২২আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ২৪

