রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানকে আট উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তান সিরিজ জয় নিশ্চিত করলেও, শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো সফরকারীরা।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তানের অধিনায়ক সাহেবজাদা ফারহান ৭৬ রান করেন, যা ছিল তার টানা তৃতীয় অর্ধশতক। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে তিনি সিরিজ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতে ইশান মালিঙ্গা দুর্দান্ত বোলিং করে ফখর জামান ও মায সাদাকাতকে সাজঘরে ফিরিয়ে চাপ সৃষ্টি করেন।
মাঝের ওভারগুলোতে দাসুন শানাকার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তান বেশ চাপে পড়ে। শানাকা ২১ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট লাভ করেন। এছাড়া বিজয়কান্ত বিয়স্কান্তের বলে হাসান নওয়াজ আউট হওয়ার পর শানাকার স্লোয়ার বলে খাজা নাফে, মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া ও আব্দুল সামাদ দ্রুত বিদায় নেন। এক পর্যায়ে ১০২ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল পাকিস্তান। তবে আরাফাত মিনহাজের অপরাজিত ২০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়। শেষ ওভারে নুয়ান তুষারা দুর্দান্ত বোলিং করে ফারহান এবং রাজাউল্লাহকে আউট করেন।
১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ছিল বেশ ইতিবাচক। সিনেথ জয়বর্ধনে ১৪ রান করে প্রথম ওভারে দলকে ভালো সূচনা এনে দেন। যদিও দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়ার বলে লাহিরু উদারা এলবিডব্লিউর শিকার হন। এরপর জয়বর্ধনে ২৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন। তবে কুশল মেন্ডিস এবং কামিন্দু মেন্ডিস অবিচ্ছিন্ন ৯৮ রানের জুটি গড়ে ১৭ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করেন। কুশল মেন্ডিস ৪৮ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এবং কামিন্দু মেন্ডিস অপরাজিত থাকেন ৪০ রানে। কুশল ব্যক্তিগত ৬৪ রানের মাথায় একবার জীবন পান। শিশিরের কারণে ব্যাটিং সহজ হয়ে যাওয়ায় কুশল ৩৩ বলে তার অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত দলকে সহজ জয় এনে দেন।

