ইসরায়েলি ফুটবলার আনান খালিলির ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেছে ইতালির কঠোর স্বাস্থ্য বিধিনিষেধের কারণে। ইন্টার মিলান তার পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকলেও, ইতালীয় অলিম্পিক কমিটির (CONI) স্বাস্থ্য সনদ না পাওয়ায় এই ট্রান্সফার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
চিকিৎসা পরীক্ষার সময় খালিলির কার্ডিয়াক স্ট্রেস টেস্টে কিছু সমস্যা ধরা পড়ে। ইতালির নিয়ম অনুযায়ী, পেশাদার ফুটবল খেলার জন্য প্রতিটি ক্রীড়াবিদকে CONI-এর স্বাস্থ্য সনদ বাধ্যতামূলকভাবে অর্জন করতে হয়। ইতালির এই নিয়ম ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর। অতীতে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন এবং এদোয়ার্দো বোভেও ইতালিতে অভ্যন্তরীণ ডিফিব্রিলেটর নিয়ে খেলার অনুমতি পাননি, যদিও ইংল্যান্ডে তাদের খেলার ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না।
খালিলির এজেন্ট বোয়াজ গোরেন একটি ইসরায়েলি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুরো বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, যখন তারা বুঝতে পারেন যে বিষয়টি আর সমাধানের পথে নেই, তখন তারা বিষয়টি নিয়ে হেসে উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গোরেন বলেন, “আমরা হোটেলে ছিলাম। আমি যখন তাকে বললাম বিষয়টি আর ঠিক করা সম্ভব নয়, তখন চার মিনিট পর আমরা বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি শুরু করি। আমি তাকে বললাম, চলো বিষয়টি নিয়ে হাসি এবং সামনে এগিয়ে যাই। আমি এর আগেও এমন চরম পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি।”
গোরেন আরও জানান, ইতালির প্রোটোকল পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত খালিলির সেখানে খেলার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে ইংল্যান্ডে ক্রিস্টাল প্যালেসে যোগ দেওয়ার সময় দেশটির চিকিৎসকদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেতে তাদের মাত্র দুই মিনিট সময় লেগেছে।
এজেন্টের দাবি অনুযায়ী, খালিলির জন্য ইন্টার মিলানই ছিল প্রথম পছন্দ, কারণ তারা ৩-৫-২ ফরমেশনে খেলে। ক্রিস্টাল প্যালেস ছিল তার পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় যেসব দল ৩-৫-২ ফরমেশনে খেলে, তাদের প্রায় সবাই খালিলিকে পেতে আগ্রহী ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

