জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়খরা কাটাল ভারত, দারুণ ছন্দে মায়াঙ্ক ও প্রিন্স

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে দীর্ঘ জয়খরা কাটাল ভারত। শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে মাঠে নেমে ভারতীয় বোলাররা শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের চেপে ধরেন। এই ম্যাচে ভারতের হয়ে অভিষেক হয়েছে রাজস্থানের লম্বা পেসার অশোক শর্মার।

টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ভারতীয় পেসাররা শুরু থেকেই পিচের সুবিধা আদায় করে নেন। মায়াঙ্ক যাদব ও প্রিন্স যাদবের তোপে জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার দাঁড়াতেই পারেনি। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ২৬ রান খরচ করে সফরকারীরা। মায়াঙ্ক যাদবের গতির মুখে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা বেশ অস্বস্তিতে ছিলেন। সিকান্দার রাজাকে শিবম দুবে আউট করার পর জিম্বাবুয়ে ৩৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। মায়াঙ্ক যাদব ১৮ রানে ও প্রিন্স যাদব ১৯ রানে দুটি করে উইকেট শিকার করেন। রবি বিষ্ণয়ি পান একটি উইকেট। জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়েসলি মাধেভেরে সর্বোচ্চ ৩৯ এবং তাদিওয়ানাশে মারুমানি ২৭ রান করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারত শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। বৈভব সূর্যবংশী মাত্র ১৯ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে ফুল মেম্বার দেশের সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ফিফটির রেকর্ড গড়েন। মাত্র পাঁচ মাস আগে এই মাঠেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলা বৈভব এদিনও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তিনি রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানিদের মতো বোলারদের ওপর চড়াও হন।

সপ্তম ওভারে বৈভব আউট হওয়ার আগে ভারত জয়ের ভিত গড়ে ফেলে। এরপর ইশান কিষাণ অপরাজিত ৩৫ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ১৩.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলে ভারত সাত উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে আট ম্যাচ পর জয়খরা কাটল ভারতের।