দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৯ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে ভারত। এই জয়ের মাধ্যমে পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম সিরিজেই সাফল্য পেলেন স্মৃতি মান্ধানা।
প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০২ রান করতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ের হয়ে চিপো মুগেরি-তিরিপানো সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন। ভারতের হয়ে নিকি প্রসাদ বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম দুই বলেই উইকেট শিকারের বিরল কীর্তি গড়েছেন, যা পুরুষ ও নারী ক্রিকেট মিলিয়ে মাত্র তৃতীয় ঘটনা। এর আগে ন্যানদানি শর্মার বলে জিম্বাবুয়ের ওপেনার কেলিস এনডলোভু আউট হলে দলীয় স্কোর পাওয়ার প্লে শেষে ২০/১ এ আটকে থাকে। পরবর্তীতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে চাপে পড়ে যায়, তবে চিপো মুগেরি-তিরিপানো ও অধিনায়ক জোসেফাইন এনকোমোর ৪৫ রানের জুটি দলকে একশ রানের কোটা পার করতে সাহায্য করে।
১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানার ওপেনিং জুটি ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে স্কোর গড়ে তোলে। শেফালি মাত্র ২৪ বলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় হাফসেঞ্চুরি হাঁকান। এটি ২০২৬ সালে তার নবম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস, যা এক ক্যালেন্ডার বছরে কোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ। শেফালি ও মান্ধানা জুটি চলতি বছরে নবমবারের মতো ৫০-এর অধিক রান যোগ করে এক অনন্য রেকর্ডের অংশীদার হয়েছেন। শেফালি আউট হওয়ার পর দ্রুতই মান্ধানা ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ভারত মাত্র ৮.৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান সংগ্রহ করে ৬৭ বল হাতে রেখেই বড় জয় তুলে নেয়, যা ১০০-এর বেশি রানের লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে নারী টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ বল হাতে রেখে জয়ের রেকর্ড।

