হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরুর আলোচনায় আশাব্যঞ্জক অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই হয়তো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের পথ সুগম হতে পারে। সরবরাহ ব্যবস্থার এই সংকট নিরসনের সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দামও ৫ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উভয় চুক্তির মূল্যই গত ১৩ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে সাংবাদিকদের মার্কো রুবিও বলেন, ইরান ও ওমানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো বাকি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, খুব শীঘ্রই বিষয়টির সুরাহা হবে। যখন তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, ইরানকে জাহাজ চলাচলের জন্য মাশুল নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কিনা, তখন তিনি একে 'চলাচলের স্বাধীনতা' হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের দৈনিক তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হতো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার কেন্দ্রে থাকা এই জলপথ নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছিল এবং এর ফলে খুচরা বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে সাধারণ গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন।

