ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি মারা গেছেন—এমন গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৬ আগস্ট রেডিও উপস্থাপক গ্লেন বেককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তার বিশ্বাস খামেনি এখনো জীবিত আছেন।
এর আগে ‘দ্য আটলান্টিক’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, তেহরানে মুজতবা খামেনির মৃত্যু নিয়ে জোর চর্চা চলছে। ওই প্রতিবেদনে সরকারের ভেতরের এবং ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের সময় পাওয়া গুরুতর আঘাতের কারণেই হয়তো তার মৃত্যু হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে, মুজতবা খামেনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “তিনি খুব গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন। তার শরীরের বাম পাশ, হাত, পা—সবকিছুই ক্ষতবিক্ষত ছিল। তবে আমি মনে করি না যে তিনি মারা গেছেন।”
ট্রাম্পের মতে, যদি খামেনি মারা গিয়ে থাকতেন, তবে ইরানের আলোচকরা এখনো তার অনুমোদনের কথা বলতেন না। তিনি উল্লেখ করেন, “তারা এখনো সব বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তার সাথে কথা বলার কথা বলে। যদি তিনি মারা গিয়ে থাকেন, তবে তারা বেশ ভালোই নাটক সাজাচ্ছে।”
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বড় একটি অংশ নিহত হয়েছে, যার মধ্যে মুজতবার বাবা ও সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও ছিলেন। ৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনিকে ৮ মার্চ ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করে। তবে সেই ঘোষণার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি তার বাবার জানাজাতেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং সম্প্রতি তার কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে দ্য আটলান্টিকের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
