ভার্জিনিয়ার একটি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট আদালতে প্রাক্তন সিআইএ কর্মকর্তা ডেভিড রাশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সমঝোতার আলোচনা চলছে। সরকারি কৌঁসুলি এবং রাশের আইনজীবী আদালতকে অনুরোধ করেছেন যেন অভিযোগ গঠনের সময়সীমা ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, অভিযোগ গঠনের আগেই একটি সমঝোতা হলে তা সরকারি এবং বিচারিক সম্পদের সাশ্রয় ঘটাবে এবং জনস্বার্থ রক্ষা করবে।
আদালতে দাখিল করা নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় পক্ষই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং নীতিগতভাবে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পথে রয়েছে। যদি এই সমঝোতা চূড়ান্ত হয়, তবে অভিযোগ গঠন এবং বিচার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন পড়বে না। আইনজীবীদের মতে, মামলাটি বিচারের মুখোমুখি হলে তাতে প্রচুর গোপনীয় নথিপত্র সংক্রান্ত আইনি জটিলতা তৈরি হতো। তবে এই সমঝোতার শর্ত বা রাশের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী কী অভিযোগ আনা হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
এর আগে মে মাসে দায়ের করা এক ফৌজদারি অভিযোগে রাশকে সরকারি অর্থ চুরির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এফবিআই ওই সময় ভার্জিনিয়ায় রাশের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩০৩টি স্বর্ণের বার, ২ মিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ এবং ৩৫টি বিলাসবহুল ঘড়ি উদ্ধার করে, যার বেশিরভাগই ছিল রোলেক্স ব্র্যান্ডের।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে যে, ডেভিড রাশ সরকারি চাকরির আবেদনে তার শিক্ষা এবং সামরিক সেবা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। এছাড়া, ২০১৫ সালে নৌবাহিনী থেকে সম্মানজনকভাবে অব্যাহতি পাওয়ার পরও তিনি প্রতারণামূলকভাবে সামরিক ছুটি নিয়েছিলেন। তিনি তার দাপ্তরিক টাইমশিটে ৭৪৪ ঘণ্টা সামরিক ছুটির দাবি করেছিলেন, যার বিপরীতে তিনি প্রায় ৭৭,০০০ ডলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে গ্রহণ করেন।
চলতি বছরের জুন মাসে, একজন ফেডারেল বিচারক রাশকে বিচারের আগ পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন। বিচারক তাকে একজন ‘তীব্র পলায়নপর ব্যক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। সিবিএস নিউজ এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রাশের আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করেছে।

