অভিবাসন সংকট নিয়ে আফ্রিকা জুড়ে আলোচনার ডাক দক্ষিণ আফ্রিকার

দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার মহাদেশজুড়ে অভিবাসন নিয়ে আলোচনার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশটিতে অভিবাসন বিরোধী বিক্ষোভের ফলে সৃষ্ট কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের বহিষ্কারের দাবিতে দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে অনেক অভিবাসী দেশটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তাদের মতে, কেবল জাতীয় পর্যায়ে নয়, বরং সমগ্র আফ্রিকার দেশগুলোর অংশগ্রহণে আলোচনার মাধ্যমেই মহাদেশের অভিবাসন সংকটের মূল কারণগুলো সমাধান করা সম্ভব। তবে গত সপ্তাহে ঘানার পক্ষ থেকে আফ্রিকান ইউনিয়নের পরবর্তী বৈঠকে দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসন উত্তেজনা এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জানায়, সামগ্রিক সংকটের সমাধান না করে কেবল একটি দেশকে এককভাবে লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।

এই মাসের শেষের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য সাউদার্ন আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি (SADC) সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশা করা হচ্ছে। ডারবানে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে মালাউই, মোজাম্বিক এবং জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন, যারা ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা জানিয়েছেন, এই আলোচনায় উত্তর আফ্রিকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে অনিয়মিত অভিবাসনের কারণগুলো খতিয়ে দেখা হবে। তিনি জানান, তার সরকার অভিবাসন সংকটের সামগ্রিক আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ প্রবেশ এবং ৩১ জুলাই মরক্কো থেকে স্পেনের সিউটা ভূখণ্ডে হাজার হাজার অভিবাসীর প্রবেশের সময় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা, যেখানে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মন্ত্রী গত দুই সপ্তাহে ঘানার প্রেসিডেন্ট জন ড্রামানি মাহামা এবং নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবুর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য জাতীয় কর্মকর্তাদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

এদিকে, 'মার্চ অ্যান্ড মার্চ' সহ বিভিন্ন অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠী অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। তারা সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বহিষ্কার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে। কিছু অভিবাসী দেশজুড়ে বিক্ষোভকারীদের দ্বারা সহিংস আক্রমণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে অন্তত ৬৮,০০০ মানুষকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই মালাউই, জিম্বাবুয়ে এবং মোজাম্বিকের নাগরিক। এছাড়া জিম্বাবুয়ে সীমান্তের কাছে মুসিনা শহরে অবস্থিত অস্থায়ী প্রত্যাবাসন কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা ২০,০০০ থেকে কমিয়ে ১,৫০০ জনে নামিয়ে এনেছে দেশটির বর্ডার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি।

শিরোনাম :
রোনালদোকে ছাড়া পর্তুগাল কি শক্তিশালী? মুখ খুললেন প্যাট্রিক বার্গ পচেফস্ট্রুমে প্রস্তুতি ম্যাচে ল্যাবুশেনের সেঞ্চুরি ১০ বছর পর ইতালি দলের কোচ হওয়ার লক্ষ্য ইম্মোবিলের ট্রাম্পের ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ এআই বাহিনীতে চার শীর্ষ কর্মকর্তা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্প: রিপাবলিকানদের জন্য আশীর্বাদ নাকি বোঝা? হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল উদ্ধারে বড় সামরিক অভিযানের ঘোষণা ইয়েমেনের ভিন্ন দুই পথে দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দলে নরকিয়া ও নবাগত অ্যাকারম্যান ট্রাম্প গঠন করলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স’ সুদানের ডিলিংয়ে ড্রোন হামলায় চার বেসামরিক নাগরিক নিহত নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড সরকারের প্রতিশ্রুতি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী রোনালদোকে ছাড়া পর্তুগাল কি শক্তিশালী? মুখ খুললেন প্যাট্রিক বার্গ পচেফস্ট্রুমে প্রস্তুতি ম্যাচে ল্যাবুশেনের সেঞ্চুরি ১০ বছর পর ইতালি দলের কোচ হওয়ার লক্ষ্য ইম্মোবিলের ট্রাম্পের ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ এআই বাহিনীতে চার শীর্ষ কর্মকর্তা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্প: রিপাবলিকানদের জন্য আশীর্বাদ নাকি বোঝা? হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল উদ্ধারে বড় সামরিক অভিযানের ঘোষণা ইয়েমেনের ভিন্ন দুই পথে দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দলে নরকিয়া ও নবাগত অ্যাকারম্যান ট্রাম্প গঠন করলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স’ সুদানের ডিলিংয়ে ড্রোন হামলায় চার বেসামরিক নাগরিক নিহত নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড সরকারের প্রতিশ্রুতি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী