
এসএ গেমস, এশিয়ান গেমস এবং অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক আসরে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে দেশের শুটিং ও আরচ্যারিতে বছরব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এশিয়ান গেমসের পর থেকেই এই দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
শনিবার গাজীপুরের টঙ্গীতে আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শনকালে এসব কথা জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
একাডেমির পাশে ময়লার ভাগাড় নিয়ে কড়া বার্তা
টঙ্গীর আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমির ঠিক পাশে ময়লার ভাগাড় তৈরি করার উদ্যোগে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
খেলোয়াড়দের অনুশীলনে কোনো ব্যাঘাত ঘটতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, “গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই আরচ্যারীর ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। তাই তাদের খেলাধুলা ও সুযোগ-সুবিধায় কোনো ঘাটতি রাখতে দেওয়া হবে না।”
সারা দেশে তৈরি হবে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’
দেশের খেলাধুলাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিভাবান অ্যাথলেট খুঁজে বের করতে চলতি বছর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০টি ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ার কাজ শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ৬৪টি জেলাতেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে, যেখানে শুটিং ও আরচ্যারীর পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে ইতিমধ্যে ১৫-১৬ জন আরচ্যারকে ক্রীড়াভাতা ও ক্রীড়াকার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে আরচ্যারী ফেডারেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার কথা নিশ্চিত করেন তিনি।
