ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের হার ছিল তার প্রায় দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন পর্যায়। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই পরাজয় তাকে মানসিকভাবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল।
নিজের টিভি শো 'ফ্যামিলি ফুল হাউস উইথ রোহিত শর্মা'-তে রোহিত জানান, ২০০৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তিনি এমন কোনো সময় পার করেননি যা তাকে এতটা কষ্ট দিয়েছে। তিনি বলেন, সেই সময় আমরা এত ভালো খেলছিলাম যে মনে হচ্ছিল হারার কোনো সুযোগই নেই। কিন্তু খেলাধুলা এমনই, যখন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে বলে মনে হয়, তখনই এমন কিছু ঘটে যা আপনাকে হতাশায় ডুবিয়ে দেয়। খেলাধুলা আমাদের এই শিক্ষাটাই দেয়।
২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারত মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে ট্র্যাভিস হেডের অনবদ্য শতরানে ভর করে অস্ট্রেলিয়া ৪৩ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে। অনেকে মনে করেন ২০১১ সালের বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া রোহিতের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, কিন্তু রোহিত নিজে সেই হারের চেয়ে ২০২৩ সালের ফাইনালের হারকেই বেশি যন্ত্রণাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন।
তবে এই ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী সময়ে ভারত ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের মুকুট পরে। রোহিতের মতে, আহমেদাবাদের সেই পরাজয়ের পর দলের মধ্যে এক ধরণের বাড়তি ক্ষুধা ও জেদ তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, সম্ভবত সেই পরাজয় না ঘটলে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের সেই জেদ ও আকাঙ্ক্ষা থাকতো না। ব্যর্থতা সাফল্যের চেয়েও বেশি কিছু শেখায়।
বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাত রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ১৭৬-৭ রান সংগ্রহ করে এবং পরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬৯-৮ রানে আটকে রাখে। রোহিত শর্মার ভাষায়, প্রতি ১৯ নভেম্বরের বিপরীতে একটি ২৯ জুন থাকে।

