বরিশাল বিভাগকে এক ইনিংস ও এক রানে পরাজিত করে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। চট্টগ্রামের করা ৫শ ৭৬ রানের বিশাল সংগ্রহের জবাবে বরিশাল তাদের প্রথম ইনিংসে ২শ ৮২ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২শ ৯৩ রানে অলআউট হয়। এতে ইনিংস ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের এই জয়ের নায়ক সাদিকুর রহমান। ক্যারিয়ার সেরা ১শ ৪৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন। এছাড়া দলের বড় সংগ্রহের পেছনে শাহাদাত হোসেনের ১শ ৯ রান এবং অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ইরফান শুক্কুরের ১শ ১২ রানের ইনিংস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শাহাদাতের ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৩টি চার। ইরফান শুক্কুর প্রথম চট্টগ্রাম অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক হিসেবে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।
বরিশালের দ্বিতীয় ইনিংসে আশরাফুল হাসান রোহান ৫টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে হাসান মুরাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২শ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ হয়েছে।
এদিকে ঢাকায় রাজশাহী ও খুলনার মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হয়েছে। খুলনার ৪শ ৮৪ রানের জবাবে মেহেদী হাসান মিরাজ ১শ রান করেন, যা তার ক্যারিয়ারের সপ্তম প্রথম শ্রেণির সেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে মিরাজ ৬টি উইকেটও শিকার করেছিলেন। রাজশাহীর হয়ে হাবিবুর রহমান সোহান ৮টি ছক্কাসহ ৮৩ বলে ৯০ রান করেন এবং সাব্বির হোসেন ৮৮ রান করেন। ১৪ বছর পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি হাঁকানো সাব্বির রহমান ১শ ১৩ রান করলে রাজাশাহী ৯ উইকেটে ৫শ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে।
সিলেটের দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। একাডেমি মাঠে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুর বিভাগের বিপক্ষে মিম মোসাদ্দেক ১শ ৫৭ রানের ইনিংস খেললে রংপুর ৪শ ২২ রান করে। মিম ২৩টি চারের মার মারেন। ম্যাচটিতে মিমেনসিংহের ১শ ৮৯ রানের জবাবে রংপুর ২শ ৪৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। এছাড়া সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢাকা ও সিলেট বিভাগের ম্যাচটিও উচ্চ স্কোরিং ড্র হয়েছে। ঢাকা মার্শাল আইয়ুবের ১শ ৭৫, মোহাম্মদ নাঈমের ১শ ৩৭ এবং অধিনায়ক মাহীদুল ইসলাম অঙ্কনের ১শ ৮ রানের সেঞ্চুরিতে ৫শ ৪৭ রান করে। জবাবে সিলেটের হয়ে আশরাফুল হাসান রিহাদ ১শ ২২ রানের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। ঢাকা তাদের শেষ ইনিংসে আশিকুর রহমান শিবলির ১শ রানের ওপর ভর করে ২শ ১৯ রান তোলে।
