জার্মানির নুরেমবার্গ বিমানবন্দর মঙ্গলবার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। গ্রিস থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমানে জরুরি পরিস্থিতির আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নেয়। ডিডিপি নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটিকে এসকর্ট করার জন্য জার্মানির পক্ষ থেকে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়।
দক্ষিণ জার্মানির এই বিমানবন্দরটি পুলিশ ঘিরে ফেলে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করে। পরে বিমানটি গ্রিসের করফু দ্বীপ থেকে নিরাপদে অবতরণ করলে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ঘোষণা করে। তবে ঠিক কী ধরনের জরুরি সংকেত পাওয়া গিয়েছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এর আগে মঙ্গলবার বিমানবন্দরে ড্রোন সদৃশ কিছু দেখার কথাও জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ছয়টি ফ্লাইটের সময়সূচী পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দুটি ইনবাউন্ড ফ্লাইটকে অন্য বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে আকাশপথের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে রহস্যময় ড্রোনের আনাগোনা এবং রুশ তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত মাসে জার্মানি সরকার লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন দিয়ে হামলার প্রচেষ্টার জন্য সরাসরি রাশিয়াকে দায়ী করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় বার্লিন রাশিয়ার একটি কনস্যুলেট বন্ধসহ বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জার্মানির এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ তোলা হচ্ছে যে, ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দুর্বল করতে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে মস্কো অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

