আজারবাইজানের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আজারবাইজানি জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এরদোয়ান এই শুভেচ্ছা জানান।
নিজের বার্তায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আমার দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে আমি বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতীম আজারবাইজানকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবসে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। তিনি আরও বলেন, আমি আমার ভাই, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আমার আজারবাইজানি তুর্কি ভাই ও বোনদের প্রতি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, যাদের সাথে আমরা সবসময় সুখ ও দুঃখে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছি।
আজারবাইজান প্রতি বছর ১৮ অক্টোবর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবস পালন করে। ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক আইন গ্রহণের দিনটিকে স্মরণ করে এই দিবসটি পালিত হয়। এই আইনটি ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান আজারবাইজান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকের উত্তরসূরি হিসেবে আজারবাইজানের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। এর আগে ১৯৯১ সালের ৩০ আগস্ট দেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল এবং একই বছরের ৯ নভেম্বর তুরস্ক প্রথম দেশ হিসেবে আজারবাইজানের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান করে। ২০২১ সালের জুন মাসে স্বাক্ষরিত শুশা ঘোষণার মাধ্যমে দেশ দুটি তাদের সম্পর্ককে একটি জোটের পর্যায়ে উন্নীত করেছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গত বৃহস্পতিবার আজারবাইজান সফরকালে জানান, দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত কৌশলগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা যুদ্ধ ও সংকটের মাধ্যমে পরীক্ষিত। বাকুতে সপ্তম সিকা (CICA) সম্মেলনে যোগদানের সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের দুই নেতার মধ্যে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের এক অটুট বন্ধন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে সেই ভিন্নতাকে কাজে লাগিয়ে কৌশলগত সম্পর্ককে দুর্বল করা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুই রাষ্ট্র এক জাতি নীতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়।

