শারজাহতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারের পর এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে সফরকারীরা।
জিম্বাবুয়ে তাদের একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছে। এই ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অভিষেক হয়েছে তাফাদজওয়া সিগা এবং ভিনসেন্ট মাসেমেসার। এছাড়া দলে জায়গা পেয়েছেন কুন্দাই মাতিগিমু। বাদ পড়েছেন বেন কারান, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা এবং নিউম্যান নিয়ামহুরি। আগের ম্যাচে চার উইকেট নেওয়া সত্ত্বেও নিয়ামহুরিকে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে। ইনজুরির কারণে প্রথম ম্যাচে খেলতে না পারা ব্লেসিং মুজারাবানি এই ম্যাচেও একাদশে নেই।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে ৩৭ রানে জয় পাওয়া আফগানিস্তান তাদের একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে। ফজলহক ফারুকি ও নুর আহমাদকে বিশ্রাম দিয়ে ফারিদ আহমাদ ও আবদুল্লাহ আহমাদজাইকে দলে নেওয়া হয়েছে। আফগানিস্তানের বোলিং আক্রমণে রশিদ খান, মুজিব উর রহমান ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই আগের মতোই বহাল রয়েছেন।
ম্যাচের আগে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা আশা প্রকাশ করেন যে, তার বোলাররা প্রথম ম্যাচের প্রথম ১২ ওভারের পারফরম্যান্স থেকে অনুপ্রেরণা নেবেন এবং পুরো ইনিংস জুড়ে সেই চাপ বজায় রাখবেন। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ে আফগানিস্তানকে ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে ফেলেছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান ঘুরে দাঁড়ায়।
এই জয়টি আফগানিস্তানের জন্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ষষ্ঠ টি-টোয়েন্টি জয় ছিল। এছাড়া রশিদ খান এই ম্যাচে আরও একটি উইকেট পেলে প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করবেন।
আফগানিস্তান: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), ইব্রাহিম জাদরান (অধিনায়ক), সেদিকউল্লাহ অটল, মোহাম্মদ আকরাম, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ইজাজ আহমাদ আহমাদজাই, শহীদউল্লাহ কামাল, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, আবদুল্লাহ আহমাদজাই, ফারিদ আহমাদ।
জিম্বাবুয়ে: ব্রায়ান বেনেট, ইনোসেন্ট কাইয়া, সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি (উইকেটরক্ষক), ওয়েসলি মাধেভেরে, তাফাদজওয়া সিগা, ব্র্যাড ইভান্স, কুন্দাই মাতিগিমু, আর্নেস্ট মাসুকু, ভিনসেন্ট মাসেমেসা।
