মার্কিন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা কেলসি গ্রামার। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে শিশুদের এই ধারণা দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘বাজে দেশ’। কেলসি গ্রামার মনে করেন, শিক্ষকরা যখন শিক্ষার্থীদের বলেন যে তারা একটি খারাপ দেশ থেকে এসেছে, তখন শিক্ষার্থীরা তা বিশ্বাস করতে শুরু করে। এর ফলে তারা নিজেদের এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়েও নেতিবাচক চিন্তা করতে শুরু করে, যা মূলত এক ধরনের শিশু নির্যাতন।
৭১ বছর বয়সী এই অভিনেতা কটি মিলারের একটি পডকাস্টে তার এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, শিক্ষাব্যবস্থায় এমন এক ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে যার মাধ্যমে শিশুদের মনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নেতিবাচক ধারণা ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও তিনি এই দাবির সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি, তবে তিনি একে কেবল তত্ত্ব নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলেই অভিহিত করেছেন।
এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি ‘আমেরিকান রেভেলেশন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে গঠিত এই রক্ষণশীল সংগঠনটির লক্ষ্য হলো দেশের ইতিহাস, মূলনীতি এবং মূল্যবোধগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং উদযাপন করা।
উল্লেখ্য যে, কেলসি গ্রামার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন সোচ্চার সমর্থক। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় হয়েছেন। গত জুনে ‘ইউএস উইকলি’-র সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সামরিক বাহিনীতে কাজ করার যে সুযোগ তিনি মিস করেছিলেন, রাজনীতিতে আসার মাধ্যমে সেই অভাব পূরণ করে দেশ ও জনগণের সেবা করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।
