২০১১ সালের পর আবারও ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০৩১ বিশ্বকাপ সামনে রেখে পূর্বাচলে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিসিবির বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব পরিকল্পনার কথা জানান বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল।
পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে সরকারের আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন হতে পারে উল্লেখ করে তামিম বলেন, “স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য সম্ভবত সরকারের অর্থায়ন লাগবে। ২০৩১ সালে বাংলাদেশে ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে, যেটি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট।”
বিশ্বকাপ আয়োজনকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বিসিবি সভাপতি বলেন, “এটি আয়োজন করা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। আমি নিশ্চিত, সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে। বিশ্বকাপের জন্য যখন বিড করা হয়েছিল, তখন পূর্বাচল স্টেডিয়ামও সেই পরিকল্পনার অংশ ছিল।”
পূর্বাচল প্রকল্পে শুধু একটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামই নয়, ক্রিকেটারদের জন্য পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি ক্রিকেট এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে বিসিবির। বোর্ড সভায় এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত এর কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তামিম।
তবে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের আগের নকশা বর্তমান বোর্ডের পরিকল্পনা ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই নকশাটি নতুন করে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এর আগে স্টেডিয়ামটিকে আরও কার্যকর ও নিরাপদ করতে নকশায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছিলেন তামিম।
নতুন নকশায় আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি অনুশীলন মাঠ, খেলোয়াড় উন্নয়নকেন্দ্র এবং আধুনিক ক্রিকেট অবকাঠামো রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বিসিবির লক্ষ্য, ২০৩১ বিশ্বকাপের আগেই পূর্বাচলকে দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে প্রস্তুত করা।
বিশ্বকাপ আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে পূর্বাচল স্টেডিয়াম
