আঞ্চলিক শান্তি ফিরলে উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে আলোচনা সম্ভব: ইরান

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিদাবাদি জানিয়েছেন যে, অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসার শর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে পুনরায় সংলাপ শুরু করা সম্ভব। শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। ঘারিদাবাদি দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোকে এই উপলব্ধিতে পৌঁছে দিয়েছে যে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ওই অঞ্চলের দেশগুলোর নিজেদেরই নিতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা নতুন একটি আঞ্চলিক সংলাপ প্রক্রিয়া শুরুর রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শন করেছেন, যার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি প্রস্তাবিত বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঘারিদাবাদি বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার হলে এই উদ্যোগটি পুনরায় কার্যকর করা যেতে পারে। তার মতে, নিরাপত্তা এমন একটি বিষয় যা অঞ্চলের ভেতর থেকেই গড়ে তুলতে হয় এবং সব আঞ্চলিক দেশেরই এতে অংশগ্রহণ করা উচিত।

উপসাগরীয় কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের ভিত্তিতে ঘারিদাবাদি জানান, প্রতিবেশী দেশগুলো এখন উপলব্ধি করছে যে, যেকোনো ধরনের সংঘাতের বিস্তার বা দীর্ঘস্থায়ী হওয়া তাদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে। এই উপলব্ধির কারণেই আঞ্চলিক নেতারা সামরিক অভিযান বন্ধের পথ খুঁজছেন এবং আলোচনার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন।

সাক্ষাৎকারে ঘারিদাবাদি কিছু উপসাগরীয় দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে তথাকথিত '৪০ দিনের যুদ্ধে' তাদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রমাণ তেহরান সংগ্রহ করেছে এবং তা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জমা দিয়েছে। এছাড়া, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিশ্চিত হয়েছে যে, প্রতিবেশী দেশগুলো সরাসরি দুই থেকে তিনটি হামলায় অংশ নিয়েছে, যার ফলে ইরানকে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে হয়েছে।

ঘারিদাবাদি স্বীকার করেন যে, এই সংঘাত ইরান ও কিছু উপসাগরীয় রাষ্ট্রের মধ্যে গভীর দূরত্ব তৈরি করেছে। তবে বর্তমানে তিনি লক্ষ্য করছেন যে, আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের বিষয়টি নতুন করে মূল্যায়ন করছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, যার জবাবে ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরবর্তীতে ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে সক্রিয় যুদ্ধবিরতি শুরু হয় এবং আলোচনার পথ তৈরি হয়। তবে হরমুজ প্রণালীতে নৌ-নিরাপত্তা ও চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে সেই আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে।

শিরোনাম :
আশ্রয় বিতর্ক কাটিয়ে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করল মেক্সিকো ও পেরু ইংল্যান্ড লায়ন্সের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ লিসা কুককে ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বরখাস্তের নতুন চেষ্টা ট্রাম্পের ভূমধ্যসাগরে বিশাল মানব ও মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেপ্তার ৭৮ রোমে কারিগরি ত্রুটিতে আটকা বিমান, আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিপত্তি এনএফএল ক্যারিয়ারের দশম বর্ষে কুপার কুপকে স্ত্রীর আবেগঘন বার্তা নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরে মামলা লড়তে প্রস্তুত সাকিব পারস্পরিক সম্মতিতে এসি মিলান ছাড়লেন ইসমায়েল বেনাসের জো বাইডেনের ক্যানসার শনাক্তের আগে যে লক্ষণটি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন জিল বাইডেন ২০২৬ সালের ১১টি আলোচিত ওয়েলনেস ট্রেন্ড: এআই থেকে কৃমি নাশক আশ্রয় বিতর্ক কাটিয়ে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করল মেক্সিকো ও পেরু ইংল্যান্ড লায়ন্সের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ লিসা কুককে ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বরখাস্তের নতুন চেষ্টা ট্রাম্পের ভূমধ্যসাগরে বিশাল মানব ও মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেপ্তার ৭৮ রোমে কারিগরি ত্রুটিতে আটকা বিমান, আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিপত্তি এনএফএল ক্যারিয়ারের দশম বর্ষে কুপার কুপকে স্ত্রীর আবেগঘন বার্তা নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরে মামলা লড়তে প্রস্তুত সাকিব পারস্পরিক সম্মতিতে এসি মিলান ছাড়লেন ইসমায়েল বেনাসের জো বাইডেনের ক্যানসার শনাক্তের আগে যে লক্ষণটি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন জিল বাইডেন ২০২৬ সালের ১১টি আলোচিত ওয়েলনেস ট্রেন্ড: এআই থেকে কৃমি নাশক