ব্রাসেলস বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার সকালে নন-ইউরোপীয় ভ্রমণকারীরা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত দীর্ঘ অপেক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন এন্ট্রি/এক্সিট সিস্টেম (EES) কার্যকর হওয়া এবং ছুটির মৌসুমে ভ্রমণকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বিমানবন্দরের মুখপাত্র জেফ্রি ফ্রানসেন্স ডাচ-ভাষী গণমাধ্যম ভিআরটিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইউরোপের বাইরের নাগরিকদের জন্য এই নতুন ডিজিটাল সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালুর কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তবে ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট কন্ট্রোল গেট থাকায় তাদের অপেক্ষার সময় তুলনামূলক কম, সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে ছিল।
নতুন এই ইএসএস ব্যবস্থা মূলত শেনজেন এলাকায় প্রবেশ এবং প্রস্থানের সময় নন-ইউরোপীয় নাগরিকদের তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে নিবন্ধনের জন্য চালু করা হয়েছে। এটি প্রচলিত পাসপোর্ট স্ট্যাম্পের পরিবর্তে আঙুলের ছাপ এবং ফেসিয়াল স্ক্যানের মতো বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করে। মুখপাত্র জেফ্রি ফ্রানসেন্স ব্যাখ্যা করেন যে, প্রতিটি যাত্রীর জন্য নিবন্ধনের এই প্রক্রিয়ায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হচ্ছে, যার ফলে ভিড়ের সময় অপেক্ষার সময় দ্রুত বাড়ছে।
বেলজিয়াম সরকার গ্রীষ্মকালীন ছুটির কথা বিবেচনা করে আগে থেকেই এভিয়েশন পুলিশ কর্মী বাড়িয়েছিল, যাতে সব কন্ট্রোল বুথ চালু রাখা যায়। তবে বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত জনবল থাকা সত্ত্বেও যাত্রীচাপের সময় তা পর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়নি।

