সৌরভ নেত্রভালকার ও অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের চমৎকার বোলিং এবং আন্দ্রে ফ্লেচারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে ৫ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে সেন্ট লুসিয়া কিংস ৮ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ১৭.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস।
ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে সেন্ট লুসিয়া কিংস। নেত্রভালকারের জোড়া আঘাতে ওপেনার অ্যান্ড্রিজ গাউস মাত্র ৪ রান এবং আকিম অগাস্ট শূন্য রানে বিদায় নেন। তবে মিডল অর্ডারে জুয়েল অ্যান্ড্রু এবং কামিল পুরানের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। অ্যান্ড্রু ৪২ বলে দুটি চার ও চারটি ছক্কায় ৫৮ রান করেন এবং পুরান খেলেন ৩০ বলে ৫৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস, যাতে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কার মার।
এই দুজনের ৮১ রানের বিপজ্জনক জুটিটি ভাঙেন রান-আউট হয়ে পুরান মাঠ ছাড়লে। এরপর একই ওভারে জেসন হোল্ডার ফিরিয়ে দেন থিতু হওয়া অ্যান্ড্রু এবং চারিথ আসালাঙ্কাকে। মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে ১৩৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে কিংসরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। প্যাট্রিয়টসের পক্ষে হোল্ডার ২০ রানে ৩টি এবং নেত্রভালকার ৩২ রানে ৩টি উইকেট নেন।
১৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেন সেন্ট কিটসের ব্যাটাররা। জনসন চার্লস মাত্র ৫ বলে দুটি ছক্কায় ১৬ রান করে ম্যাথু ফোর্ডের শিকার হন। এরপর কাইল মেয়ার্স ১৬ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় খেলেন ৩২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস। দ্রুত উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন ম্যাচ সেরা আন্দ্রে ফ্লেচার। তিনি ৪১ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। মিডল অর্ডারে কেভিন উইকহ্যাম ২০ বলে ১৯ রান, দাসুন শানাকা ৯ বলে ১২ রান এবং হোল্ডার অপরাজিত ১০ রান করে ফ্লেচারকে যোগ্য সঙ্গ দেন। সেন্ট লুসিয়ার হয়ে মাহিশ থিকশানা ২২ রানে দুটি উইকেট নেন।

