পেরুর প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত কেইকো ফুজিহোরির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল সিনেট প্রেসিডেন্ট পদে জয়লাভ করেছে। অন্য একটি রক্ষণশীল দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে তারা এই সাফল্য পেয়েছে, যা ফুজিহোরির আসন্ন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময়ের ব্যবধানে পেরু পুনরায় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করেছে। ফুজিহোরির প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০২৬-২০৩১ মেয়াদের শপথ গ্রহণের মাত্র দুই দিন আগে কংগ্রেস তাদের এই নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করল। বর্তমানে ১৩০ সদস্যের নিম্নকক্ষের নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন সিনেট প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী টরেস তার শপথ অনুষ্ঠানে জানান, রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করাই তাদের মূল লক্ষ্য এবং তারা একটি অধিকতর বিচক্ষণ রাষ্ট্র গঠন করতে চান। টরেস একজন আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ, যার ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আইনসভায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এক বছরের জন্য সিনেট সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া তিনি ফুজিহোরি এবং প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস গালারেতার সঙ্গে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নতুন এই দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট কংগ্রেসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশটির দীর্ঘদিনের শাসনতান্ত্রিক সংকট কাটিয়ে ওঠা। গত এক দশকে পেরু আটজন প্রেসিডেন্ট দেখেছে এবং বর্তমানে কোনো একক রাজনৈতিক দলেরই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। আগামী সোমবার থেকে পেরুর কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বার্ষিক আইন প্রণয়ন অধিবেশন শুরু করবে।

