প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৩৪। পেশাগত উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, নেতৃত্ব এবং বিশ্বব্যাপী ইসলামিক ফাইন্যান্সের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ও ইসলামিক ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ‘লিডার অব দ্য ইসলামিক ইকোনমি অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন। মালয়েশিয়ার পার্লামেন্ট ভবনের প্রধান ব্লকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি বিশ্ব ইসলামিক ইকোনমি উইক ২০২৬-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়েছিল।
বর্তমানে প্রফেসর ড. মাসুম বিল্লাহ সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত তার একাডেমিক ও করপোরেট কর্মজীবনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, প্রয়োগভিত্তিক ও কৌশলগত গবেষণা, করপোরেট নেতৃত্ব, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং করপোরেট ও সরকারি খাতে কৌশলগত পরামর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
ড. মাসুম বিল্লাহর বিশেষায়িত গবেষণার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ফাইন্যান্স, বিনিয়োগ, ডিজিটাল রূপান্তর, শিল্পায়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং বিদেশি বিনিয়োগ সহযোগিতার মডেল কাঠামো। এছাড়া ফাইন্যান্স ও ফিনটেকের সংযোগস্থল, উদীয়মান হালাল ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ক্রিপ্টো-অ্যাসেটসহ আর্থিক প্রযুক্তির নতুন নতুন বিকাশ নিয়ে তার গবেষণা বিস্তৃত। তিনি এখন পর্যন্ত ৬৪টিরও বেশি বই রচনা করেছেন এবং ২০০টিরও বেশি গবেষণাপত্র ও একাডেমিক নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। তার প্রকাশনাগুলোতে সমসাময়িক বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োগভিত্তিক ইসলামিক ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ এবং এর কারিগরি কাঠামো নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।
একাডেমিয়ার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরিকল্পনায় করপোরেট নেতৃত্বের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। এশিয়া-প্যাসিফিক, আরব অঞ্চল, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট সংস্থা এবং সরকারি পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণা, করপোরেট কার্যক্রম ও কৌশলগত সহযোগিতায় তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই অর্থনীতিবিদের বৈশ্বিক ইসলামিক অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে একাডেমিক, গবেষণা ও কৌশলগত অবদানের বিষয়টি নতুন করে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনায় এসেছে।

