রাফায়েল পাল্লাদিনোর অধীনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুরিনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে বোলোগনা। ডাল'আরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ বাস্তববাদী ছিলেন নতুন এই কোচ। মাত্র তিন দিনের অনুশীলনের পর এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা কঠিন ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফেদেরিকো বার্নারদেশির গোলটি পরে কুলেনোভিচ শোধ করে দিলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বোলোগনাকে। ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে দলের মানসিক প্রতিক্রিয়ার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন পাল্লাদিনো। তিনি বলেন, মাত্র তিন দিন আগে দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি নিখুঁত ফুটবলের প্রত্যাশা করেননি। তবে দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে যে জেদ ও লড়াই করার মানসিকতা দেখেছেন, তাতে তিনি সন্তুষ্ট।
পাল্লাদিনো জানান, প্রায় ৭০ মিনিট পর্যন্ত দল বেশ ভালোভাবেই খেলায় ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কিছু ভুল বোঝাবুঝি এবং শারীরিক শক্তির ঘাটতির কারণে ছন্দপতন ঘটে। আন্তর্জাতিক বিরতির এই সময়টিকে তিনি দলের ভুলগুলো সংশোধনে কাজে লাগাতে চান। সমর্থকদের জয় উপহার দিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি।
নতুন কোচ হিসেবে তিনি তিন ডিফেন্ডারের ফরমেশনে দল সাজিয়েছিলেন। তার মতে, বর্তমান খেলোয়াড়দের যে গুণাবলী রয়েছে তাতে এই সিস্টেমটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিশেষ করে ৭০ মিনিট পর্যন্ত তুরিনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে কোনো শট অন টার্গেট হজম না করা ছিল ইতিবাচক দিক।
গোলরক্ষক লুকাস স্কোরুপস্কির সাম্প্রতিক ভুলগুলোর বিষয়ে পাল্লাদিনো কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, স্কোরুপস্কিকে মূল্যায়ন করার জন্য তার হাতে মাত্র তিন দিন সময় ছিল এবং তিনি প্রত্যেকের সাথেই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভুল সবারই হতে পারে, তবে তা থেকে খেলোয়াড় কীভাবে ঘুরে দাঁড়ান সেটাই আসল বলে মনে করেন তিনি।
ম্যাচের এক পর্যায়ে হেল্যান্ডকে তুলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে কোচ জানান, ওই খেলোয়াড় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার জায়গায় অভিজ্ঞ দে সিলভেস্ট্রিকে নামানো হয়েছিল, কারণ তিনি ব্যাক থ্রি এবং উইং-ব্যাক উভয় পজিশনেই খেলতে সক্ষম। গোল খাওয়ার ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও এই মুহূর্তে তা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই বলে মন্তব্য করেন পাল্লাদিনো।

