রঞ্জি ট্রফির এই রাউন্ডে ব্যক্তিগত দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং দলগত সাফল্যের জোয়ার দেখা গেছে। মুম্বাইয়ের তনুশ কোতিয়ান ৮১ রানে ৮ উইকেট নিয়ে হরিয়ানার বিপক্ষে মুম্বাইয়ের ১০ উইকেটের জয়ে মূল ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি দিনের শুরুতে হিমালয় রানা (৪৬) ও নিশান্ত সিন্ধুকে (৪৪) সাজঘরে ফেরান এবং পরে সামান্ত জাখারের প্রতিরোধও ভেঙে দেন, যার ফলে মুম্বাই মাত্র ৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য পায়। ব্যাট হাতে অংকৃষ রঘুবংশী প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৩৯ বলে অপরাজিত ৬৭ রান করে দলকে দ্রুত জয় এনে দেন।
কেরালার বিপক্ষে বাংলার বিশাল ২৮৭ রানের জয়ে মূল কারিগর ছিলেন প্রদীপ্ত প্রামাণিক। তিনি ১৯ ওভারে ৬টি উইকেট নিয়ে কেরালার দ্বিতীয় ইনিংস মাত্র ১২০ রানে গুটিয়ে দেন। অন্যদিকে, পার্থ ভুত আসামের বিপক্ষে মাত্র ১৭ রানে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে সৌরাষ্ট্রকে ইনিংস ও ১২ রানের বড় জয় এনে দিয়েছেন।
মধ্যপ্রদেশের সারাংশ জৈন বিহারের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে সাত উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬টি উইকেট শিকার করেছেন। তার বোলিং তোপে বিহার দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ১৭৪ রানে পরাজিত হয়। এছাড়া বিদর্ভের হয়ে হর্ষ দুবে ৩৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে গোয়াকে ইনিংস ও ২৭ রানে হারিয়েছেন।
অন্যান্য ম্যাচের মধ্যে পাঞ্জাব ও হায়দ্রাবাদের ম্যাচটি ড্র হয়েছে, যেখানে পাঞ্জাবের হয়ে ভিহান মালহোত্রা অর্ধশতক এবং উদয় সাহারান অপরাজিত ৫৫ রান করেন। গুজরাটের হয়ে জাইমিত প্যাটেল অপরাজিত ১১৯ এবং আরিয়া দেশাই ১৫১ রান করেন, তবে মহারাষ্ট্রের সাথে ম্যাচটি ড্র হয়। জম্মু ও কাশ্মীর এবং বরোদার মধ্যকার ম্যাচটিও ড্র হয়েছে, যেখানে আব্দুল সামাদের ১৪৩ এবং সাহিল লোটরার অপরাজিত ৯৬ রানের সুবাদে তারা ৫৩/৪ থেকে ঘুরে দাঁড়ায়। এছাড়া শ্রেয়াস গোপাল ৫ উইকেট নিয়ে ত্রিপুরাকে ইনিংস ও ১১৬ রানে হারিয়েছেন।

