ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও এবং গ্লিসন ব্রেমারের গোলে আতালান্তাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে জুভেন্টাস। এই হারের মাধ্যমে মাউরিজিও সারির আতালান্তা টানা তৃতীয় পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেল। অন্যদিকে, এই জয়ে নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে জুভেন্টাস।
রোমা ও ক্যাগলিয়ারির কাছে টানা হারের পর এই ম্যাচে নেমেছিল আতালান্তা। ওডিলন কোসোউনু, ইসাক হিয়েন এবং কামালদিন সুলেমানা মাঠের বাইরে থাকলেও নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফিরেছিলেন জিয়ানলুকা গায়েতানো। এছাড়া আতালান্তায় যোগ দেওয়ার আগে জুভেন্টাসের সাথে ফ্রাঙ্ক কেসির দলবদলের আলোচনা বেশ এগিয়েছিল।
ম্যাচের শুরুর ৯০ সেকেন্ডের মাথায় রান্ডাল কোলো মুয়ানির একটি জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন আতালান্তার গোলরক্ষক মার্কো কার্নেসেকি। তবে ম্যাচের ডেডলক ভাঙতে বেশি সময় নেয়নি জুভেন্টাস। বাঁ দিক থেকে জেকি চেলিকের বাড়ানো পাস থেকে সম্পূর্ণ অরক্ষিত থাকা ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও ১২ গজ দূর থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান। এরপর পিয়েরে কালুলুর শার্ট টানার কারণে পেনাল্টির আবেদন করেছিলেন জোনাথন রো, তবে তা নাকচ হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জুভেন্টাসের মধ্যমাঠ শক্তিশালী করতে পাপে মালাং সারকে মাঠে নামানো হয়।
বিরতির পর নিকো গঞ্জালেসের একটি হেড গোলপোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়। এরপরই জোনাথন রো দারুণ এক নিচু শটে পরীক্ষা নেন জুভেন্টাস গোলরক্ষক গুগলিয়েলমো ভিকারিওর। ভিকারিও সেটি রুখে দিলে ফিরতি বল চার্লস ডি কেটেলিয়ারের কাছে পৌঁছানোর আগেই বিপদ মুক্ত হয়। কনসেইসাওর আক্রমণ রুখতে রাউল বেল্লানোভা এবং জর্জিও স্কালভিনি দারুণ প্রতিরোধ গড়েন। অন্যদিকে নিকো গঞ্জালেসের ক্রস থেকে ওয়েস্টন ম্যাককেনির জোরালো হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় রক্ষা করেন কার্নেসেকি।
ম্যাচের ৬৩ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল আতালান্তা। ক্রিস্টেনসেনের হেড ভিকারিওকে পরাস্ত করলেও গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে জুভেন্টাসকে রক্ষা করেন কোলো মুয়ানি। এরপর কোলো মুয়ানি ও নিকো গঞ্জালেস দারুণ দুটি আক্রমণ শানালেও শেষ মুহূর্তে পিছলে যান। জুভেন্টাসের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্লিসন ব্রেমার। এডন জেগ্রোভার কর্নার থেকে ব্রেমারের নেওয়া হেড কাছের পোস্টে জাকোমো রাসপাডোরিকে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। ম্যাচের শেষ দিকে কোলো মুয়ানি ও তিউন কুপমেইনার্সের জোরালো আক্রমণ রুখে দিয়ে ব্যবধান আর বাড়তে দেননি কার্নেসেকি।

