আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ জানিয়েছেন, কেন তিনি এই গ্রীষ্মে চেলসিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে অ্যাস্টন ভিলা থেকে চেলসিতে নাম লিখিয়েছেন এবং সরাসরি মূল একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন।
মৌসুম শুরুর আগে চেলসির কোচ জাবি আলোনসো রবার্ট সানচেজ এবং মাইক পenders-এর ওপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু ফুলহামের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে সানচেজের ভুলগুলো ক্লাবকে মার্তিনেজকে দলে নিতে বাধ্য করে। এর ফলে সানচেজ ধারে কোমোতে চলে যান।
নিজের এই দলবদলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মার্তিনেজ জানিয়েছেন, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতেই তিনি নতুন ক্লাবে আসার সিদ্ধান্ত নেন। টিওয়াইসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য তার কিছুটা সময় লেগেছিল। বিশ্বকাপ ফাইনাল হারার কষ্ট তাকে অনেক বেশি পীড়া দিয়েছিল। নিজেকে মানসিকভাবে সতেজ করতেই তিনি ক্লাব পরিবর্তনের পথ বেছে নেন এবং তাতে সফল হয়েছেন। তিনি জানান, এখানে এসে তিনি নিজেকে বেশ কার্যকর ও সাবলীল মনে করছেন, যা তার জন্য সেরা সিদ্ধান্ত ছিল।
চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মার্তিনেজের শুরুর সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়েছে। তার অধীনে দল এখন পর্যন্ত চারটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে ১০টি গোল হজম করেছে। পয়েন্ট টেবিলের ১০ নম্বরে থাকা দলটির রক্ষণভাগ বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে দুর্বল।
আন্তর্জাতিক বিরতির পর আগামী শনিবার স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বোর্নমাউথের মুখোমুখি হবে চেলসি। রক্ষণভাগের সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য এই সময়টা কাজে লাগিয়েছেন জাবি আলোনসো ও তার দল। সমর্থকরা এই ম্যাচে দলের উন্নতির আশা করছেন। অন্যদিকে, বোর্নমাউথ এখনো এই মৌসুমে কোনো জয় না পেলেও তাদের পারফরম্যান্স বেশ ইতিবাচক। মার্কো রোজের অধীনে তারা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে, যা চেলসির জন্য বড় পরীক্ষা হতে পারে। এছাড়া চেলসির জন্য স্বস্তির খবর হলো, ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারা ম্যাচে দলের বাইরে থাকা রিস জেমস, জোয়াও পেদ্রো এবং ময়েসেস কাইসেদো বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরার অপেক্ষায় আছেন।

