সম্প্রতি লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ইউএফসি ৩২৯-এ ওয়েলটারওয়েট রিম্যাচে ম্যাক্স হলোওয়ের মুখোমুখি হন কনর ম্যাকগ্রেগর। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই লড়াইয়ের প্রথম রাউন্ডে হলোওয়ের মাথায় একটি ফ্লাইং কিক মারতে গিয়ে ম্যাকগ্রেগর গুরুতর আহত হন। এই ইনজুরির কারণে রেফারি লড়াইটি থামাতে বাধ্য হন এবং হলোওয়ে প্রথম রাউন্ডে নকআউট জয় লাভ করেন। ম্যাচ পরবর্তী সময়ে ম্যাকগ্রেগর জানান যে তার ডান পায়ের এসিএল (ACL) এবং মেনিস্কাস ছিঁড়ে গেছে। তবে তিনি আবারও লড়াইয়ে ফেরার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।
ম্যাকগ্রেগরের এই ইনজুরি এবং তার পরবর্তী সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রাক্তন ইউএফসি যোদ্ধা পল ফেল্ডার। 'বিলিভ ইউ মি!' পডকাস্টের একটি পর্বে ফেল্ডার বলেন, বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে লিগামেন্ট বা হাঁটুর ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে ওঠা সম্ভব হলেও, ম্যাকগ্রেগরের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। ফেল্ডারের মতে, প্রথমবার যখন তিনি এমন অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন, তখন তিনি অনেক কম বয়সী ছিলেন। এছাড়া তার অন্য পায়ে আগে থেকেই ভাঙা শিনের সমস্যা ছিল, যা এবার তাকে আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।
পল ফেল্ডার আরও বলেন, তিনি ম্যাকগ্রেগরের কোনো ক্ষতি কামনা করেন না, তবে তার সুস্থ হওয়ার পথটি তিনি যতটা সহজ মনে করছেন, বাস্তবে ততটা নয়। ফেল্ডারের ভাষায়, ম্যাকগ্রেগর এখন আগের চেয়ে বয়স্ক এবং প্রথমবার যখন তিনি এসিএল সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন, তখন তিনি নিয়মিত অ্যাথলেট ছিলেন। এখন তার বয়স ৩৮, এবং সুস্থ হয়ে ফেরার সময় নাগাদ তার বয়স ৩৯ হয়ে যাবে।
এদিকে, আলজামেয়েন স্টার্লিং মনে করেন, ম্যাকগ্রেগরের উচিত ছিল ম্যাক্স হলোওয়ের পরিবর্তে মাইকেল চ্যান্ডলারের বিপক্ষে লড়াই করা। ইগনিশন পোকারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টার্লিং বলেন, স্টাইলগত দিক থেকে চ্যান্ডলারের বিপক্ষে লড়াইটি বেশি যুক্তিযুক্ত হতো। চ্যান্ডলার তাকে রেসলিং করবেন না বরং দাঁড়িয়ে লড়াই করতে পছন্দ করবেন, যা দর্শকদের জন্য উপভোগ্য হতো। স্টার্লিং আরও বলেন, চ্যান্ডলার একজন দক্ষ যোদ্ধা হলেও বর্তমানে তিনি ১৫৫ বা ১৭০ পাউন্ডের শীর্ষে নেই, তাই তার বিপক্ষে লড়ে ম্যাকগ্রেগর নিজের বর্তমান মান যাচাই করার সুযোগ পেতেন।
