রবিবার সিরি আ-র ম্যাচে ফ্রোসিনোনের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছে কোমো। ম্যাচটিতে পরাজয়ের পর দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং গেম প্ল্যান বুঝতে ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন কোমো কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস। তিনি প্রতিপক্ষ ফ্রোসিনোনের পারফরম্যান্সকে একটি ‘মাস্টারপিস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে জিয়াকোমো কাইও এবং ৪৫ মিনিটে জিওর্জি কেভারনাদজের গোলে ফ্রোসিনোনে জয় তুলে নেয়। এই ফলাফলের পর ২০২৬-২৭ মৌসুমের পাঁচ ম্যাচ শেষে দুই দলই ১০ পয়েন্ট নিয়ে সমান অবস্থানে রয়েছে। ফ্যাব্রেগাস জানিয়েছেন, ফ্রোসিনোনের হুমকি সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন, তবে তার খেলোয়াড়রা হয়তো ম্যাচের গুরুত্ব পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি।
ফ্যাব্রেগাসের মতে, ফ্রোসিনোনের গোলরক্ষক লরেঞ্জো পালমিসানির বীরত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স না থাকলে কোমো বেশ কয়েকটি গোল করতে পারত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ম্যাচের আগেই আমি ফ্রোসিনোনের শক্তির কথা বুঝিয়েছিলাম। হয়তো আমি তা ঠিকভাবে বোঝাতে পারিনি। পালমিসানি অনেকগুলো সেভ না করলে আমরা হয়তো ৪-১ গোলে জিততাম।” তিনি আরও স্বীকার করেন যে, দল হিসেবে তারা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি এবং ফ্রোসিনোনের খেলার ধরন অনুযায়ী সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিকো পাজকে মাঝমাঠের গভীরের অবস্থানে খেলানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে ফ্যাব্রেগাস বলেন, “আমি এর সাথে একমত নই। পাজ সামনের দিকেই সেরা। তাকে ১৫ বছর বয়স থেকে চিনি, নতুন কিছু শেখার আগ্রহ আমার আছে, কিন্তু আমি নিশ্চিত যে ওই অবস্থানে সে সেরাটা দিতে পারে না।”
চলতি মৌসুমের পয়েন্ট টেবিল নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নারাজ কোমো কোচ। তিনি বলেন, “মাত্র পাঁচ ম্যাচ হয়েছে, এখনই কিছু বলা অর্থহীন। ৩৮টি ম্যাচ বাকি আছে এবং মৌসুমের শেষেই কেবল টেবিলের গুরুত্ব থাকে। আজ ফ্রোসিনোনের কৃতিত্ব দিতেই হবে, কারণ তারা এটি প্রাপ্য। কোপা ইতালিয়ার সেমিফাইনালে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে হারের পর এই পাঁচ মাসের মধ্যে এটিই আমাদের প্রথম খারাপ ম্যাচ।”

