দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিসিএ) দিল্লি প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) নিয়ে ওঠা দুর্নীতির সব প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও অপ্রতিষ্ঠিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তেহেলকার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিডিসিএ এই বিবৃতি দেয়।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) মতো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পরামর্শ চেয়েছে। ডিডিসিএ-র ভাষ্যমতে, প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা যাচাই করা হয়নি এবং কোনো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রমাণিতও নয়। শুধুমাত্র এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো খেলোয়াড়, ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনুচিত বলে মনে করে তারা।
ডিডিসিএ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে। তেহেলকার ওই স্টিং অপারেশনে একজন সাবেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার দাবি করেছিলেন যে, তিনি ডিপিএল ও আইপিএলের ম্যাচের আগে প্লেয়িং ইলেভেনের তথ্য দিতে সক্ষম। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ২০২৫ আইপিএল মৌসুমে তিনি বুকিদের সাথে তথ্য শেয়ার করেছেন এবং সৈয়দ মুশতাক আলি টুর্নামেন্টে (এসএমএটি) ম্যাচ ফিক্সিং করেছেন। ওই ব্যক্তি প্রতিটি ম্যাচের তথ্যের জন্য ৪০ লক্ষ টাকা দাবি করেন।
ডিডিসিএ জানিয়েছে, ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স)। তারা আরও জানিয়েছে, ক্রিকেটের অখণ্ডতা নষ্ট করতে পারে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা কঠোর এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোনো তদন্ত শুরু করলে তাতে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের ফলাফল ও নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে যে, অভিযোগ ও প্রমাণিত সত্যের মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি এবং তদন্ত প্রক্রিয়াকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিত। দিল্লির ক্রিকেটের মর্যাদা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ডিডিসিএ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয়ে ডিডিসিএ বিসিসিআই-এর দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করেছে।

