ইতালির রাজধানী রোমের স্তাদিও অলিম্পিকোকে নতুন করে সাজানোর একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। ২০৩২ সালে অনুষ্ঠিতব্য ইউরোপীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরো ২০৩২-এর ফাইনাল ম্যাচটি এই ভেন্যুতে আয়োজন করার লক্ষ্যেই ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর এই বিনিয়োগ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতালি এবং তুরস্ক যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রতিটি দেশকে এই ইভেন্টের জন্য পাঁচটি করে স্টেডিয়াম প্রস্তুত রাখতে হবে।
উয়েফার কাছে জমা দেওয়া সম্ভাব্য স্টেডিয়ামের তালিকায় রোমই একমাত্র শহর, যেখান থেকে দুটি স্টেডিয়ামকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হলো রোমার প্রস্তাবিত নতুন স্টেডিয়াম, যা পিয়েত্রালাতা এলাকায় নির্মাণের জন্য দীর্ঘ এক দশকের জটিলতার পর সম্প্রতি সবুজ সংকেত পেয়েছে। তবে স্তাদিও অলিম্পিকো এখনো একটি আইকনিক ভেন্যু হিসেবে টিকে আছে এবং কর্তৃপক্ষ এটিকে ইউরো ২০৩২-এর ফাইনালের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে চায়।
স্টেডিয়ামটির মালিকানা থাকা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংস্কারের মাধ্যমে এর আসন সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ১৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচের এই প্রকল্পে স্টেডিয়ামের প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার, দর্শকদের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি, অত্যাধুনিক ম্যাক্সি স্ক্রিন স্থাপন এবং নতুন আতিথেয়তা বা হসপিটালিটি স্পেস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে সংস্কার কাজ শুরু হবে এবং ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ তা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে রোমা ও লাৎসিও ফুটবল ক্লাব তাদের হোম ম্যাচগুলো স্তাদিও অলিম্পিকোতে খেলে থাকে। এছাড়া স্টেডিয়ামটি ইতালির রাগবি ম্যাচ, অ্যাথলেটিক্স এবং বিভিন্ন কনসার্ট আয়োজনের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

