ডারবানের কিংসমিডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রধান আলোচনার বিষয় কাগিসো রাবাদার ফিটনেস। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এই তারকা পেসারের খেলা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সাইমন হার্মার জানান, রাবাদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ম্যাচের একেবারে কাছাকাছি সময়ে নেওয়া হবে। হার্মার নিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে কেপটাউনে অভিষেক করলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪টি টেস্ট খেলেছেন। ২০২২ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের মাধ্যমেই তিনি দলে ফিরেছিলেন।
হার্মার বলেন, রাবাদা বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় এবং তার উপস্থিতি দলের শক্তি বাড়ায়। তবে আসন্ন লম্বা ক্রিকেট মৌসুমের কথা মাথায় রেখে তারা কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির ঝুঁকি নিতে রাজি নন। বুধবার দলের অনুশীলন সেশনের বেশিরভাগ সময় রাবাদাকে ডাইনিং এরিয়ায় দেখা গেলেও পরে তিনি মাঠে ফেরেন। সেখানে তিনি ওয়ার্ম-আপ ও স্ট্রেচিংয়ের পাশাপাশি পিচের পাশে নেটে অনুশীলনের চেষ্টা করেন। পিয়েত বোথার তত্ত্বাবধানে তিনি শুরুতে দুই কদমের রান-আপে এবং পরে নয় কদমের রান-আপে প্রায় ২০টি ডেলিভারি করেন। তবে টেস্ট খেলার জন্য তাকে এর চেয়ে অনেক বেশি ডেলিভারি করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বর্তমান শক্তির জায়গা নিয়ে হার্মার বলেন, আগে যেখানে নির্দিষ্ট কয়েকজন খেলোয়াড়ের ওপর জয় নির্ভর করত, এখন সেখানে দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাফল্য আসছে। কী বদলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে? ২০১৫ সাল থেকে গত জুনে লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল পর্যন্ত সময়টা ছিল রূপান্তরের। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই জয় ছিল ১৯৯৮ সালের পর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কোনো বৈশ্বিক ট্রফি জয়ের স্বাদ। তিনি মনে করেন, বর্তমান দল কঠিন সময়ে একে অপরের জন্য লড়াই করতে জানে এবং সমস্যার সমাধানে দক্ষ। রাবাদার অনুপস্থিতিতেও দল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

