ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের হয়ে কোনো বিদায়ী ম্যাচ খেলার ইচ্ছা পোষণ করেননি। লিসবনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অবজারভেডর-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন তাকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে বিদায় দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও রোনালদো তাতে রাজি নন। গত ৫ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে রোনালদো আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। ২০০৩ সালের আগস্টে শুরু হওয়া তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ২৩৪ ম্যাচ এবং ১৪৬ গোল নিয়ে শেষ হলো, যা পুরুষ ফুটবলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৪১ বছর বয়সী এই তারকা কোচ জর্জ জেসুসের সাথে কথা বলতে চান না এবং প্রোয়েনকাকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় দলে ফেরার জন্য তিনি প্রস্তুত নন। এই সময়সূচী তাকে কিছুটা অপ্রস্তুত করে ফেলেছিল।
অবসর গ্রহণের ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, "এটি সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না, কারণ এমন সিদ্ধান্ত কেবল মস্তিষ্ক দিয়ে নয়, হৃদয় দিয়ে নিতে হয়।" উয়েফা নেশনস লিগে ওয়েলসের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে খেলা ৬৭ মিনিটই তার শেষ ম্যাচ হিসেবে গণ্য হবে।
রোনালদোর অবসরের ঘোষণার পরপরই পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়। ফেডারেশন জানিয়েছে, তারা এই কিংবদন্তি অধিনায়ককে যথাযথ সম্মান ছাড়া বিদায় দিতে চায় না। ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট প্রোয়েনকা সোশ্যাল মিডিয়ায় রোনালদোকে কেবল একজন খেলোয়াড় নয়, বরং একজন অ্যাথলেট, রেফারেন্স, নায়ক এবং নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা প্রতিপক্ষের নাম ঘোষণা করা হয়নি, তবে ফেডারেশন তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এক হাজার গোলের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাবে।

