শারজাহতে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটারদের দাপটে জিম্বাবুয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সফরকারীরা দিনশেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩২৬ রান সংগ্রহ করেছে। আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়েছে।
ম্যাচের শুরুটা দারুণ হয়েছিল জিম্বাবুয়ের জন্য। ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে মোহাম্মদ সেলিম সাফির বলে জিয়া-উর-রেহমান কাইয়ার ক্যাচ মিস করলেও, খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। কাইয়া ৩৪ রান করে কাইস আহমেদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর তিন নম্বরে নামা ব্রেন্ডন টেলর উইকেটে থিতু হয়ে যান এবং স্পিনের বিপক্ষে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। কারান কিছুটা সময় নিয়ে খেললেও ছন্দ খুঁজে পেয়েছিলেন। তাদের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৬৫ রান। শেষ পর্যন্ত সেলিম সাফির একটি দুর্দান্ত ইয়র্কারে কারান ৪২ রান করে বোল্ড হন।
চা বিরতির পরপরই টেলর তার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৬৮ বলে ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৩১ রান করে তিনি রহমত শাহর বলে লং-অফে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। টেলরের বিদায়ের পর আফগানিস্তান কিছুটা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। জিয়া-উর-রেহমান আকবর পরপর দুই ওভারে ক্রেগ আরভিনকে ৪ এবং অভিষিক্ত আন্তাম নাকভিকে ৯ রানে আউট করে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলেন।
তবে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেট। নিয়মিত অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব দেওয়া বেনেট ১২৮ বলে ৭১ রান করে দিনশেষে অপরাজিত আছেন। তার সাথে ক্রিজে আছেন ওয়েসলি মাধেভেরে, যিনি ২৯ রান নিয়ে খেলছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৩৯ রান।
উল্লেখ্য, এই টেস্টের মাধ্যমে প্রায় নয় বছর পর জিম্বাবুয়ের টেস্ট দলে ফিরেছেন ৪০ বছর বয়সী গ্রায়েম ক্রেমার, যিনি সর্বশেষ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে খেলেছিলেন। দলের প্রত্যাশা, পিচের অবস্থার অবনতি হলে চতুর্থ ইনিংসে ক্রেমারের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে।

