জুভেন্টাস আনুষ্ঠানিকভাবে বেয়ার লেভারকুসেন থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড করিম আলাজবেগোভিচকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল এই তরুণ তুর্কিকে তুরিনে নিয়ে আসার মাধ্যমে জুভেন্টাস তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা আরও শক্তিশালী করল। ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তারা।
যদিও কোনো পক্ষই এই দলবদলের আর্থিক বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি, তবে ইতালি এবং জার্মানির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির গ্যারান্টিযুক্ত মূল্য ৩০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি। বিভিন্ন শর্ত পূরণের সাপেক্ষে এই ফি ৪০ মিলিয়ন ইউরোর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
আলাজবেগোভিচকে পাওয়ার দৌড়ে জুভেন্টাসকে বেশ বড় প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। চেলসি, নাপোলি এবং আটালান্টার মতো ক্লাবগুলোও তাকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী ছিল। এর মধ্যে চেলসি তাকে পেতে সবচেয়ে বেশি মরিয়া ছিল এবং লেভারকুসেনের সাবেক কোচ জাবি আলোনসো ব্যক্তিগতভাবে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি নিয়মিত খেলার নিশ্চয়তা দিতে না পারায় তারা পিছিয়ে পড়ে। বিশেষ করে মরগান রজার্সকে সই করানোর পর চেলসির সম্ভাবনা কমে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত জুভেন্টাসের দেওয়া প্রথম দলের সদস্য হওয়ার নিশ্চয়তাই এই দলবদলে বড় ভূমিকা রেখেছে।
জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার লেভারকুসেনের অ্যাকাডেমি থেকেই উঠে এসেছেন। গত গ্রীষ্মে তিনি আরবি সালজবার্গে যোগ দিয়েছিলেন, তবে তার দ্রুত উন্নতির কারণে বেয়ার লেভারকুসেন বাই-ব্যাক ক্লজ ব্যবহার করে তাকে চলতি গ্রীষ্মেই ফিরিয়ে আনে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জুভেন্টাস তাকে তুরিনে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই দলবদলের ফলে কোনো প্রতিযোগিতামূলক সিনিয়র ম্যাচ না খেলেই লেভারকুসেন ছেড়ে তুরিনে পাড়ি জমালেন এই তরুণ তারকা।

