আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ফিলিস্তিনি দূতাবাসে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে একটি প্রটোকল বা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। সোমবার আজারবাইজানের প্রেসিডেন্সির সরকারি ওয়েবসাইটে এই ডিক্রিটি প্রকাশিত হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, এই প্রটোকলটি কার্যকর হওয়ার পর আজারবাইজানের মন্ত্রিসভা এর শর্তাবলি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এছাড়া আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন তারা ফিলিস্তিনি সরকারকে অবগত করে যে, চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রটোকলটি ২০২৬ সালের ১০ জুলাই বাকুতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
এই পদক্ষেপটি গত ১৬ জুলাই প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ এবং ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোস্তফার মধ্যকার বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এসেছে। ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বাকু’র অটল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন।
আজারবাইজান দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনকে মানবিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। জাতিসংঘ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মাধ্যমে দেশটি এখন পর্যন্ত ৯.২ মিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে জেরুজালেমের অবকাঠামো আধুনিকায়নের জন্য ৫ মিলিয়ন ডলার এবং গাজার জন্য ৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এছাড়া ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রভাব মোকাবিলায় আজারবাইজান অতিরিক্ত ১.৬ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের শেষভাগে বাকু ফিলিস্তিনের ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং নতুন একটি স্কুল নির্মাণের জন্য আরও ২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছিল।

