ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বিদায়ঘণ্টা বেজে উঠেছে। বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তার এই বিদায়ী ম্যাচটি ঘিরে পুরো দল এবং ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আবেগ ও উন্মাদনার এক বিশেষ আবহ। বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে হারানোর পর পুরো দল এখন মেসিকে বর্ণিল বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ফুটবল জাদুকর মেসির সঙ্গে শেষ মুহূর্তগুলো কাটানো এবং তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানার মুহূর্তে সতীর্থরা প্রকাশ করেছেন তাদের গভীর অনুভূতি ও স্মৃতিকথা। মেসিকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে মার্তিনেজ বলেন, মেসিকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেব, অনেক চুমু দেব।
মেসির সান্নিধ্য পাওয়ার অপেক্ষার কথা জানিয়ে এনজো ফার্নান্দেজ বলেন, আমরা তার জন্য অপেক্ষা করছি। সে আসার জন্য আমরা সত্যিই মুখিয়ে আছি। তার সঙ্গে বারবিকিউ করব, এই কয়েকটি দিন উপভোগ করব। সে এর পুরোপুরি প্রাপ্য। আমরা চাই তার বিদায়টা দারুণ হোক, যাতে সে মুহূর্তটি সত্যিই উপভোগ করতে পারে।
জাতীয় দলে মেসির সঙ্গে প্রথমবার খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে সান্তিয়াগো কাস্ত্রো বলেন, এটাই প্রথমবার আমি মেসির সঙ্গে থাকব, কারণ এর আগে কখনো তার থাকার সুযোগ হয়নি। অনুভূতিটা খুব বিশেষ, আবার কিছুটা কষ্টের। কারণ আপনি সারা জীবন তাকে খেলতে দেখতে চান। আমি তাকে দেখেই বড় হয়েছি। সে যখন জাতীয় দলে অভিষেক করেছিল, মোটামুটি তখনই আমি ফুটবল দেখা শুরু করি। সে আমাকে ফুটবল, জাতীয় দল এবং এই জার্সি পরার অর্থের প্রেমে পড়িয়েছিল।
বিদায়ী মুহূর্তটির আবেগ সম্পর্কে আগুস্তিন জিয়া উল্লেখ করেন, এটি খুব বিশেষ একটি রাত হতে যাচ্ছে। অনেক আবেগ থাকবে। দিনটি একই সঙ্গে দুঃখের এবং আনন্দের হবে, কারণ সে বিদায় নিতে পারছে। সে সবকিছুরই প্রাপ্য। সে আমাদের অনেক আনন্দ দিয়েছে। আমরা মুহূর্তটি খুব উপভোগ করব।
মেসিকে দেখে বেড়ে ওঠার কথা স্মরণ করে জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি বলেন, আমি মেসিকে দেখেই বড় হয়েছি। তার বিদায়ের অংশ হতে পারাটা খুব সুন্দর একটি বিষয় হবে, আবার অনেক বড় কষ্টের। আমি তাকে দেখেই বড় হয়েছি। জাতীয় দলে তাকে আর না দেখতে পাওয়াটা সত্যিই অনেক কষ্টের হবে।

