তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তান মক্কায় একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। গত ৭ আগস্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে দেশগুলো একে অপরের ওপর হওয়া সশস্ত্র আক্রমণকে নিজেদের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো তিন দেশের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা।
দেশগুলোর দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ব, ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ইসলামী সংহতি এবং কৌশলগত স্বার্থের প্রতীক হিসেবে এই চুক্তিকে দেখা হচ্ছে। এই বিশেষ মুহূর্তটিকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে তুরস্কে একটি বিশেষ ভিজ্যুয়াল প্রচারণার আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রাজধানী আঙ্কারা ও ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন বিখ্যাত স্থাপনায় ডিজিটাল স্ক্রিন এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে চুক্তির মূল বার্তাগুলো প্রচার করা হচ্ছে।
আঙ্কারার প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশনস ডিরেক্টরেট ভবন এবং তুর্ক টেলিকম ভবনে এই প্রচারণার ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে তুর্ক টেলিকমের ৬০০টিরও বেশি শাখায় এই চুক্তির বার্তা প্রদর্শিত হচ্ছে। আঙ্কারার অন্যতম পরিচিত স্থাপনা আতাকুলেতেও সংহতি ও ভবিষ্যতের অভিন্ন লক্ষ্যের বার্তা সম্বলিত আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক কালচারাল সেন্টার, ১৫ জুলাই শহীদ সেতু এবং ঐতিহাসিক গালাটা টাওয়ারেও এই প্রচারণার অংশ হিসেবে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এই স্থাপনাগুলো ব্যবহার করে দেশগুলোর কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং সংহতির বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। গালাটা টাওয়ারে এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে আধুনিক প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে শহরটির শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত করার একটি প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

