কঙ্গো নদীতে সপ্তাহান্তের ছুটির সময় দুটি নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। কঙ্গোর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনার পর এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুটু জানান, রোববার সন্ধ্যায় ইকুয়েটার প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার কাছে মোটরচালিত কাঠের নৌকা দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, রাতের বেলা নৌপথে চলাচলের কারণে অতীতেও বেশ কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ৩০ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এমপুটু। তিনি জানান, একটি নৌকা উত্তর-পশ্চিমের উবাঙ্গি থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল এবং অন্যটি কিনাশাসা থেকে লুকোলেলার দিকে যাচ্ছিল। বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য, যিনি নদীর তীর থেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন, তিনি জানান যে উবাঙ্গি থেকে আসা নৌকাটি অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল। তার ভাষ্যমতে, সংঘর্ষের পর প্রায় সব যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়ে এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
মধ্য আফ্রিকার দেশটিতে নৌ দুর্ঘটনা একটি নিয়মিত ঘটনা। দুর্বল অবকাঠামো, রাতের বেলায় নৌ চলাচল এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকে এসব প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে নৌ দুর্ঘটনায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে জুলাই মাসে কাসাই প্রদেশে শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

