হ্যারি ব্রুকের ৯১ রানের চমৎকার ইনিংসের ওপর ভর করে ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচে তাদের কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। ব্রুকের এই ব্যাটিং নৈপুণ্য দলকে চালকের আসনে বসাতে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের বিপর্যয়ের মুখে একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন উসমান খান।
ইংল্যান্ডের ইনিংসে অলি রবিনসনের ভূমিকাও ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দলের প্রয়োজনে তার পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রবিনসন নিজেই জানিয়েছেন যে, এমন এক দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পর দলের সাফল্যে অবদান রাখতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট এবং প্রাপ্তি ভাগ করে নিতে পেরে খুশি। তিনি এখন বিলাসিতা থেকে প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হওয়া এই পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিয়ে দলের পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখছেন।
পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের দলগত সংহতি এবং তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দিয়েছে। ব্রুকের দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং রবিনসনের মতো খেলোয়াড়দের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা ইংল্যান্ডকে এই ম্যাচে এগিয়ে রেখেছে। তবে উসমান খানের লড়াই পাকিস্তানকে কিছুটা হলেও আশা দেখাচ্ছে, যদিও দলের বাকি ব্যাটারদের থেকে বড় কোনো জুটি বা কার্যকর ইনিংসের অভাব স্পষ্ট ছিল। পাকিস্তানের জন্য এই অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে আলোর রেখা হিসেবে উসমানের এই লড়াইকে একটি ট্রেনের গতির সাথে তুলনা করা হচ্ছে।

