বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস এবং অফ-স্পিনার মেহেদী হাসানকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আর্থিক জরিমানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, লিটন দাসের বিরুদ্ধে বোর্ডকে না জানিয়ে বিদেশে ভ্রমণের এবং মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের সামনে টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে ইনজুরিতে পড়ার পর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন লিটন দাস। এই সময়ে বিসিবিকে কোনো তথ্য না দিয়েই তিনি চীন সফর করেন। জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বশীল পদে থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে বিদেশ গমনে শৃঙ্খলার গুরুতর বিচ্যুতি ঘটেছে বলে বোর্ড মনে করছে।
অন্যদিকে, মেহেদী হাসান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাদশে সুযোগ না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন। জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দেশে ফেরার পর বুধবার সন্ধ্যায় তাকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মুখোমুখি হতে হয়।
কমিটির পরিচালক ও সদস্য সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, দুই ক্রিকেটারই কমিটির সামনে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন। তবে শৃঙ্খলার স্বার্থে কোড অব কন্ডাক্ট ভাঙার দায়ে তাদের জরিমানা গুনতে হবে। যদিও জরিমানার সুনির্দিষ্ট অংক প্রকাশ করা হয়নি, তবে জানা গেছে লিটনের তুলনায় মেহেদী হাসানকে অপেক্ষাকৃত বেশি জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিসিবির বোর্ড সভায় এই প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে।
বিসিবি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে যে, খেলোয়াড়, কোচ বা বোর্ড কর্মকর্তা—যেই হোক না কেন, শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বোর্ড কোনো ছাড় দেবে না।

