আপনি যদি বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত হন এবং আপনার ৪০১(কে), আইআরএ বা অন্য কোনো কর-স্থগিত অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ উত্তোলন করেন, তবে এখনই আপনার কর কর্তনের (tax withholding) বিষয়টি যাচাই করা জরুরি। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কর কাটা না হয় এবং আপনি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে আনুমানিক কর পরিশোধ না করে থাকেন, তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কর বিলের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
চাকরিজীবী থাকাকালীন আপনার নিয়োগকর্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন থেকে সঠিক পরিমাণ কর কেটে রাখতেন। কিন্তু অবসরের পর পরিস্থিতি ভিন্ন হয়। অবসর জীবনে আপনার আয়ের উৎস হতে পারে সোশ্যাল সিকিউরিটি, পেনশন, অ্যানুইটি এবং ভাড়ার মতো একাধিক ক্ষেত্র। প্রতিটি উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ হয়তো কর্মজীবনের বেতনের চেয়ে কম মনে হতে পারে, কিন্তু সব মিলিয়ে মোট আয়ের ওপর করের বোঝা বেশ বড় হতে পারে।
অনেকেই মনে করেন, আগামী বছরের শুরুতে কর ফাইল করার সময় এই হিসাব ঠিক করে নেওয়া যাবে। কিন্তু ততদিনে আপনার ওপর কর পরিশোধে ব্যর্থতার জন্য ৭% পর্যন্ত জরিমানা ধার্য হতে পারে। ধরুন, ২০২৬ সালে আপনার ফেডারেল কর ১০ হাজার ডলার হলো এবং কোনো কর কর্তন করা হয়নি। আপনি হয়তো ভাবছেন ১৫ এপ্রিল, ২০২৭ সালের মধ্যে তা পরিশোধ করে দেবেন। কিন্তু সময়মতো ত্রৈমাসিক কিস্তি জমা না দিলে সেই বকেয়া করের ওপর ৭% হারে জরিমানা বাড়তে থাকে।
১৫ এপ্রিল, ২০২৭ তারিখের মধ্যে, আপনার যে কিস্তিটি ১৫ এপ্রিল পরিশোধ করার কথা ছিল তা ১২ মাস দেরি হয়ে যাবে। এই ৭% জরিমানা সুদের মতো বাড়তে থাকে, যা আপনার করের বোঝা আরও বাড়িয়ে দেয়।
আপনার করের হিসাব একেবারে নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই। এপ্রিল মাসে কর জমা দেওয়ার সময় জরিমানা এড়ানোর জন্য দুটি 'সেফ হারবার' বা নিরাপদ পথ রয়েছে। অবসরকালীন সঠিক কর পরিকল্পনা আপনার ভবিষ্যৎকে আরও স্থিতিশীল এবং দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
