বায়ার্ন মিউনিখের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে। কেইনের মতে, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দিক থেকে তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন, এখন এই পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
চলতি বছর বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে হ্যারি কেইনকে ব্যালন ডি’অরের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কেইন বলেন, এই সম্মানজনক পুরস্কারটি জিতলে তার জন্য দারুণ কিছু হবে, তবে এটি তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তিনি বলেন, আমি আমার খেলা নিয়ে গর্বিত। ব্যক্তিগত পর্যায়ে ব্যালন ডি’অর হলো ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কার। এটি আমার হাতে নেই। আমি পারফরম্যান্সের দিক থেকে যা করার করেছি। অবশ্যই এটি পাওয়া দারুণ কিছু হবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও দুই-তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে।
গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৫১টি ম্যাচে মাঠে নেমে কেইন অবিশ্বাস্যভাবে ৬১টি গোল করেছেন এবং সাতটি গোলে সহায়তা করেছেন। বুন্দেসলিগায় ৩৬ গোল করে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন এবং ৭২ পয়েন্ট নিয়ে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটও নিজের দখলে নিয়েছেন। এছাড়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। সাত ম্যাচে ছয়টি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি ইংল্যান্ডকে তৃতীয় স্থান অর্জনে সহায়তা করেছেন।
আগামী মৌসুমের লক্ষ্য নিয়ে কেইন আরও জানান, এই দলের সাথে অর্জিত সাফল্য নিয়ে তিনি অত্যন্ত গর্বিত এবং এখন পুরো মনোযোগ নতুন মৌসুমের দিকেই। তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় লক্ষ্য এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
তবে ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে বেশ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে কেইনকে। রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে গত মৌসুমে লা লিগায় ২৫ গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপে ১০ গোল ও চার অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন। ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে ২৭ গোল করেছেন এবং নরওয়েকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে সাতটি গোল করেছেন। এছাড়া পিএসজির উসমান দেম্বেলে, ভিতিনহা এবং আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিও এই দৌড়ে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

