শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারীরা। ঈশান কিষাণ ও তিলক ভার্মার বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরি এবং বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত এই জয় তুলে নেয়।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের শুরুতেই অভিষেক শর্মা দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান। তবে বৈভব সূর্যবংশী পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন এবং রিচার্ড এনগারাভার এক ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। যদিও এনগারাভার বলেই তিনি ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়াস আইয়ার ৬৬ রানের জুটি গড়ে দলকে সামলে নেন। শ্রেয়াস আইয়ার ১০ম ওভারে ব্রায়ান বেনেটকে তিনটি চার মারলেও ওই ওভারের শেষ বলে আউট হয়ে যান।
শ্রেয়াসের বিদায়ের পর ঈশান কিষাণ ও তিলক ভার্মা দলের হাল ধরেন। তারা ১৪তম ওভারে ব্লেসিং মুজারাবানিকে আক্রমণ করে রানের গতি বাড়িয়ে নেন। ঈশান কিষাণ সিকান্দার রাজাকে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের আগ্রাসন বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত ঈশান ৮১ রান করে আউট হন। রিংকু সিং, তিলক ভার্মা এবং শিবম দুবের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়।
২১৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান বেনেট শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। কিন্তু রিভার্স স্কুপ করতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচে পরিণত হন তিনি। এরপরই জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ধসে পড়ে। প্রিন্স যাদব ও রবি বিষ্ণোইয়ের তোপে পাওয়ারপ্লের পরেই জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৪৯ রান। প্রিন্স যাদব দুই উইকেট শিকারের পর হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন। এরপর রায়ান বার্ল লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে শেষ পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। ভারতের হয়ে অভিষেক শর্মা ৩টি উইকেট শিকার করেন।

