নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী চরাঞ্চলে এক যুবককে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের বাখরনগর বাজারে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম সুমন মিয়া (২৭)। তিনি বাখরনগর গ্রামের আব্দুল বাতেন মিয়ার ছেলে।
নিহতর স্বজনদের অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া বাখরনগর বাজারে গেলে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল তার পথ রোধ করে। প্রথমে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে আটকে ফেলে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজনকে দায়ী করেছে সুমনের পরিবার। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তারা অভিযুক্ত কারও নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেননি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আলোকবালী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসাও করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই পুরনো শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশিকুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্বজনদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া বাখরনগর বাজারে গেলে ১০-১৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে তার গতিরোধ করে। পরে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি করলেও কার

