নেপাল প্রিমিয়ার লিগে (এনপিএল) পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট বা এনওসি (NOC) প্রাপ্তি নিয়ে জটিলতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যেসব খেলোয়াড়কে আগে এনওসি দেওয়া হয়েছিল, তাদেরও এখন জানানো হয়েছে যে লিগে অংশগ্রহণের অনুমতি স্থগিত রাখা হয়েছে।
এনপিএলের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এনওসি প্রদানের বিনিময়ে অর্থ দাবি করেছে। প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৫,০০০ মার্কিন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির বিষয়টি লিখিতভাবে লিগ কর্তৃপক্ষের কাছে করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পিসিবি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আটটি দলের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাওয়া অনেক পাকিস্তানি খেলোয়াড় বর্তমানে কাঠমান্ডুতে অবস্থান করছেন। তবে যারা এখনো দেশ ছাড়েননি, তারা এনওসি জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সফরের পরিকল্পনা পিছিয়ে দিয়েছেন।
তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাহেবজাদা ফারহান, হায়দার আলী, হুনাইন শাহ, হুসেইন তালাত, ইফতিখার আহমেদ, হাসান আলী এবং উসামা মির। উল্লেখ্য, এই খেলোয়াড়দের কেউই বর্তমানে পাকিস্তানের কোনো আন্তর্জাতিক স্কোয়াডের সাথে যুক্ত নন, যার ফলে এনপিএলের সূচির সাথে তাদের আন্তর্জাতিক কোনো দায়িত্বের সংঘাত নেই।
এর আগে পিসিবি তাদের নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে হোয়াইট-বল ও রেড-বল ক্রিকেটের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন এনেছিল। সেখানে 'ফরম্যাট ট্র্যাক ডি' বা টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক দায়িত্বের সাথে সংঘাত না থাকলে অন্যান্য লিগে খেলার স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে কোন খেলোয়াড় কোন ক্যাটাগরিতে আছেন তা প্রকাশ করেনি, তবে এনপিএলে অংশ নিতে যাওয়া খেলোয়াড়দের কেউই বর্তমানে ওয়ানডে বা টেস্ট পরিকল্পনায় নেই।

