পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংবাদ সংস্থা পিএপি এবং এপি-র তথ্যানুযায়ী, অভিযুক্ত তরুণী ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী। তিনি একটি 'বিপজ্জনক বস্তু' ব্যবহার করে ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে আক্রমণ করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারী ওই ছাত্রীকে চিনতেন না।
এই হামলায় আহত ১৭ বছর বয়সী ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তবে তার আঘাত প্রাণঘাতী নয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এছাড়া ওই সময় ভর্তির কাগজপত্র জমা দিতে আসা ১৭ এবং ২৪ বছর বয়সী আরও দুই নারীও এ হামলায় আহত হয়েছেন।
চলতি সপ্তাহে পোল্যান্ডের বিভিন্ন স্কুলে এটি তৃতীয় হামলার ঘটনা। এর আগে ৭ এবং ৮ অক্টোবর দেশজুড়ে স্কুলগুলোতে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছিল। গত বুধবার মাজোভিয়ান প্রদেশের একটি ভোকেশনাল স্কুলে ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী নয়জনকে আহত করে। পরের দিন লেসজসিডোল-নোভিনি এলাকার একটি প্রাইমারি স্কুলে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরের হামলায় ৩৭ বছর বয়সী এক কেয়ারটেকার নিহত হন।
এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে পোল্যান্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে স্কুলগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পোলিশ পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযানের অংশ হিসেবে তারা ৭৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এই অভিযানের আগে বলেছিলেন, পোল্যান্ডের শিশুদের নিরাপত্তা এবং স্কুলে শান্তির ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।
এছাড়া ওয়ারশর উত্তর-পশ্চিমে সিয়ের্পক শহরে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে স্কুল প্রাঙ্গণে বিপজ্জনক কিছু করার পরিকল্পনা করছিল এবং কাউকে আঘাত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল।

