ডারবানে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২১৪ রানের ব্যবধানে হারের পর চাপে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা দলের জন্য আশার খবর হলো, দ্বিতীয় টেস্টে ফিরছেন দলের তারকা পেসার কাগিসো রাবাদা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্টে খেলতে না পারা রাবাদার ফিটনেস শনিবার নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশ এখনও ঘোষণা করা হয়নি, তবে রাবাদার অন্তর্ভুক্তি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করছেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। বাভুমার মতে, রাবাদা বোলিং ইউনিটের অবিসংবাদিত নেতা এবং তার উপস্থিতি দলের মধ্যে বাড়তি বিশ্বাসের জন্ম দেয়। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও স্বীকার করেছেন যে, রাবাদার মতো ক্লাসের খেলোয়াড় যেকোনো দলের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ।
ডারবানে অস্ট্রেলিয়া সব বিভাগেই স্বাগতিকদের চেয়ে এগিয়ে ছিল। এই ম্যাচে ম্যাট রেনশ ১৯০ ও ৮২ রানের দুটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন, যা দুই দলের মধ্যে মূল পার্থক্য গড়ে দেয়। অন্যদিকে প্রোটিয়াদের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে এইডেন মার্করামের ৭৫ রান ছাড়া আর কেউ ৫০-এর কোটা পার করতে পারেননি। এই হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলের একাদশে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে দল ঘোষণা না করায় জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
আগামী ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ সালে জেকেবেরহার সেন্ট জর্জেস পার্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা, জিএমটি সকাল ৮টা এবং আইএসটি দুপুর ১.৩০ মিনিটে। রবিবার ৫৫ শতাংশ এবং সোমবার ৮০ শতাংশ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় একাদশ নির্বাচনে স্পিনারদের গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যেতে পারে। সম্ভাব্য একাদশে সাইমন হারমারের পরিবর্তে কাগিসো রাবাদার জায়গা পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উইকেটরক্ষক কাইল ভেরেইনের পরিবর্তে রায়ান রিকলটন ৭ নম্বরে ব্যাট করতে পারেন এবং ম্যাথিউ ব্রেজকে ইনিংস শুরু করতে পারেন। মার্কাস অ্যাকারম্যানের টেস্ট অভিষেক হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন গ্রিন পেটের সমস্যার কারণে এখনও দলের বাইরে থাকায় তারা প্রথম টেস্টের জয়ী একাদশ নিয়েই মাঠে নামার সম্ভাবনা বেশি।

