শনিবার ১৫ আগস্ট আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চার ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। অধিনায়ক রহমত শাহর অপরাজিত ১৪৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের সুবাদে সফরকারীরা ছয় উইকেটের জয় নিয়ে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করেছে।
আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল। মাত্র ২২ রানেই তারা দুই ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজকে হারিয়ে বসে। ইব্রাহিমকে আউট করেন লিয়াম ম্যাকার্থি এবং গুরবাজকে দারুণ ক্যাচে ফেরান জর্জ ডকরেল। পাওয়ারপ্লের বাকি সময়টা আয়ারল্যান্ড বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে এবং আফগানিস্তান মাত্র ৩০ রান তুলতে পারে।
তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ান রহমত শাহ ও সিদ্দিকুল্লাহ আতাল। এই জুটি ২০২ রানের বিশাল এক পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। ১৩তম ওভারের মধ্যেই প্রয়োজনীয় রান রেট সাত ছাড়িয়ে গেলেও তারা ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করেন। ১৬তম ওভারে রহমত গ্যাভিন হোয়িকে ছক্কা হাঁকানোর পর থেকেই খেলার মোড় ঘুরতে শুরু করে। আতালও তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন। ৪০তম ওভার শেষে তাদের জুটির রান ২০০ ছাড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত লিয়াম ম্যাকার্থির বলে ক্যাড কারমাইকেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৯৮ রানে ফেরেন আতাল।
আতাল আউট হওয়ার পর রহমত শাহ তার পাঁচ বছরের বেশি সময় পর প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ১৪ বলে ২৪ রানের ক্যামিও ইনিংসে আফগানিস্তান জয়ের পথে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৪৯তম ওভারে অধিনায়ক রহমত নিজেই বাউন্ডারি মেরে আফগানিস্তানের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। আয়ারল্যান্ডের ওপেনার অ্যান্ড্রু বালবির্নি ও পল স্টার্লিংকে সপ্তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাই সাজঘরে ফেরান। এএম গজানফার ১৫তম ওভারে কারমাইকেল এবং ১৯তম ওভারে লরকান টাকারকে আউট করে আয়ারল্যান্ডের ছন্দ নষ্ট করেন। হ্যারি টেকটর ৫৩ রান করে নাঙ্গেলিয়া খারোতির শিকার হন। শেষ দিকে কার্টিস ক্যামফার ৯৬ রান করে সালিম সাফির বলে আউট হওয়ার আগে দলের স্কোর ২৯৮/৭-এ নিয়ে যান।

