১৬ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে দুপুর ১২:১৭ মিনিটে সিবিএস নিউজের "ফেস দ্য নেশন উইথ মার্গারেট ব্রেনান" অনুষ্ঠানে রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ডন বেকন একটি সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। ওমাহা, নেব্রাস্কা থেকে যুক্ত হয়ে তিনি মার্কিন অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা এবং ইরান যুদ্ধের সামরিক দিকগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে বেকন বলেন, জো বাইডেনের শাসনামলে ৯ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছিল এবং যদিও তা পরবর্তীতে কিছুটা কমেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ এখনো সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে মজুরির চেয়ে মুদ্রাস্ফীতির হার কিছুটা বেশি, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। বেকন প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, মুদ্রাস্ফীতির সমস্যাটি স্বীকার করা এবং মজুরি বৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া তিনি বর্তমান শুল্ক নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, বৈষয়িক শুল্ক মূলত ভোক্তাদের ওপর কর হিসেবে কাজ করছে, যা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সিবিএস নিউজের নতুন জরিপে দেখা গেছে, ৫৮% নিবন্ধিত ভোটার রিপাবলিকান পার্টিকে চরমপন্থী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ইরান যুদ্ধ এবং সামরিক মোতায়েন প্রসঙ্গে বেকন ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ারের দীর্ঘ ১০ মাসের মোতায়েন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই দীর্ঘ মোতায়েন সামরিক সদস্য এবং তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, তার নিজের ইরাক সফরের সময় সেখানে অনেক মেরিন ও সৈন্য ১৮ মাস পর্যন্ত মোতায়েন ছিল। এছাড়া নিজের ৩০ বছরের বিমান বাহিনীর ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।
প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের কার্যক্রম সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বেকন বলেন, তিনি প্রেসিডেন্টের নির্দেশে কাজ করছেন। তবে অস্ত্রশস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে প্রেসিডেন্টের অজ্ঞতার বিষয়টি তিনি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেন। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্রুজ মিসাইলের অভাব সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয়নি বলে তিনি মনে করেন। আগামী ৩১ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে ফিরে এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

