বাহামাসের আকাশে একটি ছোট বিমান নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে এই অভিযান পরিচালনার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা গেছে, বিমানটিতে একই পরিবারের চার মার্কিন সদস্য ছিলেন এবং লেবার ডে-র ছুটিতে ফ্লোরিডায় ফেরার পথে সেটি নিখোঁজ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের সাউথইস্ট ডিভিশন জানিয়েছে, রয়্যাল বাহামিয়ান ডিফেন্স ফোর্সের সাথে সমন্বয় করে তারা এই উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। অ্যান্ড্রস দ্বীপ থেকে প্রায় ১৫ মাইল দূরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজ হওয়া বিমানটিতে চারজন যাত্রী ছিলেন। বাহামিয়ান কর্তৃপক্ষকে সহায়তার জন্য কোস্ট গার্ড একটি এইচসি-১৪৪ ওশান সেন্ট্রি বিমান মোতায়েন করেছে।
নিখোঁজ হওয়া বিমানটি ছিল একটি পাইপার পিএ-৩৪ সেনেকা মডেলের। ৭ সেপ্টেম্বর গ্রেট হারবার কে থেকে উড্ডয়নের পর বিমানটির মায়ামি এক্সিকিউটিভ বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। ফ্লাইট অ্যাওয়্যার ডেটা অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে রাডারে শেষবারের মতো বিমানটিকে দেখা গিয়েছিল। ডেটায় আরও দেখা যায়, বিমানটি তার যাত্রাপথে তীব্র আবহাওয়া এড়িয়ে চলার জন্য দিক পরিবর্তন করেছিল। বাহামিয়ান পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটির সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিল।
নিখোঁজ মার্কিন নাগরিকদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ৮০ বছর বয়সী পাইলট মারিও লামার, তার স্ত্রী ৭৯ বছর বয়সী লিলি লামার এবং তাদের দুই নাতি-নাতনি ২৮ বছর বয়সী সোফিয়া সোসা ও ২২ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান সোসা। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা ৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। মারিও লামারের ভাতিজি সিলভিয়া ল্যারিউ জানিয়েছেন, তাদের গ্রেট হারবার কে-তে একটি বাড়ি রয়েছে এবং তারা সেখানে লেবার ডে-র ছুটি কাটিয়ে ফিরছিলেন। তিনি আরও বলেন, তারা সারা জীবন সেখানে যাতায়াত করেছেন এবং জায়গাটি তাদের দ্বিতীয় বাড়ির মতো। তিনি উদ্ধার অভিযানে সবাইকে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।
